‘সমুদ্রসীমা প্রসঙ্গে জাতিসঙ্ঘে দায়ের করা আপত্তি প্রত্যাহার হলে বাংলাদেশের বিপর্যয় হবে’

‘সমুদ্রসীমা প্রসঙ্গে জাতিসঙ্ঘে দায়ের করা আপত্তি প্রত্যাহার হলে বাংলাদেশের বিপর্যয় হবে’

‘সমুদ্রসীমা প্রসঙ্গে জাতিসঙ্ঘে দায়ের করা আপত্তি প্রত্যাহার হলে বাংলাদেশের বিপর্যয় হবে’

পাথেয় রিপোর্ট : মিয়ানমার ও ভারতের সাথে জাতিসংঘে উত্থাপিত অনিষ্পন্ন সমুদ্রসীমা, ভারত থেকে অস্ত্র ক্রয় এবং কাশ্মীর ও আসাম ইস্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।

তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিষয়ে যেমন জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তেমনি মানবাধিকার বিষয়েও দেশের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিবৃতিতে তিনি বলেন, আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের কাছে ভারতের ভূমি চাওয়ার কোন এখতিয়ার নেই, এবং কোনভাবেই তা দেওয়া উচিত হবে না। এতে দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে চরমভাবে।

তিনি বলেন, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র নিয়ে বিরোধ রয়েছে। সঙ্গত কারণেই দেশের স্বার্থকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ কড়া প্রতিবাদ করে এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি উত্থাপন করে। যা এখনো অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়ে গেছে।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, ভারত কৌশলে জাতিসঙ্ঘে করা আপত্তি তুলে দিয়ে ফায়দা নিতে চায়। ভারতকে কোনক্রমেই বিশ্বাস করা যায়না। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট সমাধান ছাড়া জাতিসঙ্ঘে দায়ের করা এই আপত্তি প্রত্যাহার করা হলে বাংলাদেশের বড় ধরণের বিপর্যয় হবে। এমনটা ভারত ও মিয়ানমারের কাছে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেয়ার শামিল এবং দেশের জন্য চরম ক্ষতি বয়ে আনবে। এর ফলে গভীর সমুদ্রে বাংলাদেশের ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকার দাবি ভয়ানক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং সমুদ্রসীমা নির্ধারণে ভারতের নির্ধারিত স্থানাঙ্ক নির্ধারণ নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের বিষয়টিও এর ফলে অমীমাংসিত থেকে যেতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *