সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

পাথেয় রিপোর্ট : দেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় সশস্ত্র বাহিনীর কাজের প্রশংসা করে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌত্বের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতেও সশস্ত্র অবদান রাখছে।

বৃহস্পতিবার মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড অ্যান্ড ডিফেন্স কলেজে কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর আরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে জাতির প্রয়োজনে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বহির্বিশ্বেও সুনাম অর্জন করেছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর কৃতিত্ব সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।

“ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে অবদান রাখতে হবে। বাংলাদেশে যে উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে তা যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।”

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ‘মূর্ত প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। দুর্যোগ মোকাবিলা, দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো নির্মাণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার কথা তিনি স্মরণ করেন।

বিশ্বশান্তি রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনী বহির্বিশ্বেও দায়িত্ব পালন করছে। তারা সেখানে শুধু শান্তিরক্ষায়ই দায়িত্ব পালন করছে না, বরং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছে। এতে দেশের বাইরেও সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সশস্ত্র বাহিনী স্টাফ কোয়ার্টার কলেজ নির্মাণ করেছি। প্রশিক্ষণ কারিকুলামে আরও সময়োপযোগী পরিবর্তন আনছি। ভবিষ্যতে এসব কলেজের প্রশিক্ষণ কলেবরকে আরও আধুনিক করব।

এ বছর ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ কোর্সে সেনাবাহিনীর ১১৮ জন, নৌবাহিনীর ২৯ জন, বিমান বাহিনীর ২৩ জন এবং যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতসহ ১৯ দেশের ৪৫ জন কর্মকর্তা কোর্স সম্পন্ন করেছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বাহিনী প্রধানদের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *