সাম্প্রদায়িক উস্কানী বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান আল্লামা মাসঊদের

সাম্প্রদায়িক উস্কানী বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান আল্লামা মাসঊদের

সাম্প্রদায়িক উস্কানী বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান আল্লামা মাসঊদের

পাথেয় রিপোর্ট : দেশকে অশান্ত করবার খায়েশে যারাই সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চাইবে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

তিনি বলেন, প্রিয়া সাহারা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের শিকড় কোথায় তা খোঁজে বের করা উচিৎ।

রাষ্ট্রদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল ও বুদ্ধিজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান বলেন, এ দেশের নুন পানি খেয়ে যে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তার বা তাদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীকে হালকাভাবে দেখার কোন সুযোগ নেই জানিয়ে শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম বলেন, এ দেশের মুসলমানগণ শান্তিপ্রিয়। হিন্দু মুসলমান সবসময় সম্প্রীতি রক্ষা করেই চলে আসছে। কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বা পার্শ্ববর্তী দেশের ঘটনাকে বাংলাদেশের নামে চালিয়ে দিয়ে ষড়যন্ত্র পাকানো খুবই ঘৃণ্য কাজ। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিৎ।

সম্প্রতি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইসকন চট্টগ্রামের মুসলিম শিশুদের মন্ত্র পড়িয়ে খাবার বিতরণকে ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর বড় আঘাত উল্লেখ করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, এটাকে সম্প্রীতি রক্ষা বলে না। আমরা প্রত্যেক ধর্মের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করি। এ সুযোগে আমাদের কোমলমতি শিশুদের অন্যধর্মের মন্ত্র পড়ানোকে অনেক বড় ধৃষ্টতা মনে করি। তদন্ত সাপেক্ষে ইসকনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর আহ্বান জানাই।

সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য যারাই কাজ করবে তারাই দেশের শত্রু বলেও অভিহিত করেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই বুধবার ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *