আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ডেরায় সরকারি বাহিনীর বড় ধরনের হামলার মুখে অন্তত ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে জর্ডান সীমান্তের দিকে পালিয়েছেন। গত সোমবার জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সোমবার জর্ডানের জাতিসংঘ মুখপাত্র হিতাম মালকাউয়ি জানান, পালিয়ে যাওয়া এসব মানুষের মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার শিশু। এসব মানুষ জাতিসংঘের ত্রাণ বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে। মুখপাত্র আরও জানান, ডারা থেকে পালিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ধারণার চাইতে বেশি।
গত ১৯ জুন আসাদ বাহিনী ডেরার নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই জোরালো করে। এতে করে জর্ডানের অভিমুখে নতুন করে শরণার্থী ঢল শুরু হয়। আসাদ বাহিনী ডেরার নিয়ন্ত্রণ নিতে সমর্থ হলেও কুনিয়েত্রা প্রদেশ এবং সেইদা প্রদেশের আংশ বিশেষে এখনও বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াই চলছে।
রাশিয়ার বিমান বাহিনীর সমর্থনে চালানো এই অভিযানের কারণে হাজার হাজার সিরীয় নাগরিক জর্ডান সীমান্তে জড়ো হয়েছে। তবে জর্ডান তাদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। আগে থেকে কয়েক লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া দেশটি দাবি করছে আরও বেশি শরণার্থী সামলানোর মতো সম্পদ নেই তাদের।
গত রবিবার ডেরা প্রদেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বসরা আল-সাম শহরের বিদ্রোহীরা প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের অনুগত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। আল জাজিরা জানিয়েছে, বিদ্রোহীদের ভারী অস্তশস্ত্র সরকারের কাছে সমর্পণ করতে চুক্তিতে পৌঁছানোর আলোচনায় মধ্যস্ততা করেছে জর্ডান।
গত বৃহস্পতিবার সাফাদি বলেছেন, ইতিমধ্যে জর্ডানে ১৩ লাখ সিরীয় রয়েছে। আমাদের দেশ সামর্থের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জর্ডান এদের দায়িত্ব নিয়েছে, আর আমি অবশ্যই বলবো আমরা প্রায় একাই এই দায়িত্ব পালন করছি।
সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর


