সোনাগাজীতে অচেতন করে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

সোনাগাজীতে অচেতন করে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

সোনাগাজীতে অচেতন করে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

ফেনী প্রতিনিধি : ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্ন ঘটনাগুলো বেড়েই চলেছে। এবার ফেনীর সোনাগাজীতে স্কুলছাত্রীকে অচেতন করে কেবল ধর্ষণই করেনি দুর্বৃত্ত, আপত্তিকর ছবিও তুলেছে বলে জানা গেছে। ফেনীর সোনাগাজীতে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অচেতন করে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ছবি তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আশফাকুর রহমান বাবলা (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আশফাকুর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের হরিরামপুর আদর্শ গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করার পাশাপাশি স্ত্রীসহ ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুদ্দিন জানান, গত রোববার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রী তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। রাত ৮টার দিকে বাসার ভাড়াটে আশফাকুর কোমল জাতীয় পানির মধ্যে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে এনে ওই ছাত্রী ও তার নানা-নানিকে দেন। কোমল পানীয় খাওয়ার কিছুক্ষণ পর ঘরের সবাই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে আশফাকুর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ও নানির ব্যবহৃত মোবাইলে আপত্তিকর ছবি তোলে।

সোমবার সকালে বিষয়টি টের পেলে বাড়ির লোকজন আশফাকুরকে খুঁজে বের করতে তৎপর হয়ে ওঠেন। পরে বিকেলে ওই ছাত্রীর মামা বাদী হয়ে আশফাকুরকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।

তিনি আরও জানান, নির্মাণ শ্রমিক আশফাকুর গত কয়েক মাস ধরে স্ত্রীসহ ওই বাড়িতে ভাড়া থাকছেন। সে সুবাধে ওই পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন আশফাকুলকে খুঁজে বের করে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আশফাকুর পুলিশের কাছে ধর্ষণ ও মোবাইলে ছবি তোলার কথা স্বীকার করেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *