সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া মুহাম্মদ বিন সালমান

সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া মুহাম্মদ বিন সালমান

সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া মুহাম্মদ বিন সালমান

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মুহাম্মদ বিন সালমান তাদের তেলক্ষেত্রে হামলার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি সৌদি আরবের দুই তেলক্ষেত্রে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও জড়িয়ে পড়েছে। সৌদি এবং যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার জন্য ইরানের দিকেই বার বার আঙুল তুলছে।

এদিকে, তেলেক্ষেত্রে হামলার প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দিয়েছে সৌদি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি বলছে, সম্প্রতি তাদের দেশের দুটি তেলক্ষেত্রে হামলার জবাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবায়ের ওই হামলার জন্য আবারও ইরানকেই দায়ী করেছেন। সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হামলার জন্য যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো ইরানের। এই হামলার পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে আদেল আল জুবায়ের বলেন, তারা মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং পূর্ণ তদন্ত শেষ করার পর যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তেলক্ষেত্রে হামলা চালানো হয়েছে উত্তর দিক থেকে। ইয়েমেনের দিক থেকে এই হামলা চালানো হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে ঠিক কোন জায়গা থেকে হামলা চালানো হয়েছে সেটি সুনির্দিষ্টভাবে বলেননি সৌদির এই মন্ত্রী। অপরদিকে, সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার কথা বারবার অস্বীকার করে আসছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে সৌদিতে বাড়তি সৈন্য পাঠানোর ঘোষণার পর ইরানের এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, যে কোনো ধরনের আগ্রাসন ধ্বংস করার জন্য ইরান প্রস্তুত আছে।

এদিকে, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা বলছে, সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে তারাই হামলা চালিয়েছে। এর আগে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালমি সতর্ক করে বলেন, যে কোনো হামলা মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।

তিনি বলেন, সীমিত হামলা হলে সেটি আসলে সীমিত আকারে থাকবে না। হামলাকারীদের সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *