পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : দেশের সকল কওমি মাদ্রাসাকে নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে জড়িতরা বলেছেন, বেসরকারি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থাকার পরও সরকারের এই উদ্যোগ নিয়ে তাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
কওমি মাদ্রাসা শিক্ষায় কোন শৃঙ্খলা নেই- এই পরিস্থিতি সরকার ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখেছে।
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, এর আলোকে এখন এই শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য নিয়ম-নীতি তৈরি করতে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগারি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তারা যেমন রয়েছেন, একইসাথে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার বেসরকারি বোর্ডের নেতাদেরও রাখা হয়েছে।
এই কমিটি তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মাদ্রাসা নেতৃত্বকেও চিঠি দিয়ে জানিয়েছে।
শিক্ষা উপমন্ত্রী মি: চৌধুরী বলেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে বা খতিয়ে দেখে যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, এবার সেগুলো সমাধানের একটা চেষ্টা তারা করবেন।
“কওমি মাদ্রাসাগুলোর কিছু প্রতিষ্ঠান এতিমখানা হিসাবে পরিচালিত হয়, আবার কিছু কিছু জায়গায় লিল্লাহ বোর্ডিং নামে পরিচালিত হয়। কিছু কিছু মাদ্রাসা হাইআতুল উলয়া বোর্ডের অধীনে তাদের সর্বোচ্চ ডিগ্রি দাওরায় হাদিস প্রদান করে। আবার কিছু জায়গায় নূরানী মাদ্রাসা বা হেফজোখানা রয়েছে। এগুলোর নানান ধরনের ধাপ আছে,” বলে উল্লেখ করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “সেই ধাপগুলো কী প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হচ্ছে, এবং সেগুলোর অর্থায়ন কীভাবে হচ্ছে বা কারা সেগুলোতে পড়াচ্ছে এবং কারা সেখানে পড়ছে- সেই তথ্য সরকারের কাছে থাকা প্রয়োজন।”
“প্রতিদিনই এরা কোন অনুমোদন ছাড়া যত্রতত্র হেফজোখানা নামে সাইনবোর্ড তুলে দিচ্ছে। এই জিনিসগুলো আমরা মোটামুটি খতিয়ে দেখেছি। এখন আমরা কমিটির মাধ্যমে এটা একটা ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে আনবো, নিয়মনীতির মধ্যে আনবো,” বলেন মহিবুল হাসান চৌধুরী।


