হিন্দু থেকে মুসলিম বানানো নিয়ে আজহারীর নাটক!
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: সব সম্ভবের দেশ কি বাংলাদেশ? এমন প্রশ্নের উত্তর এখন সবখানে। খুব সহসাই খ্যাতি কুড়ানো মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলে কথিত ১১ জন যে হিন্দুকে মুসলমান বানানো হয়েছে তারা সবাই মূ্লত আগে থেকেই মুসলমান। এলাকাবাসী বলছে, এটা মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলের সুনাম বৃদ্ধির জন্যই এমন কাজ করা হয়েছে। এসব নাটক না করলে আজকাল মাহফিলে লাখ লাখ মুসল্লি জমায়েত হয় না।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর পাটোয়ারী বাড়ি সংলগ্ন মাঠে শুক্রবার (২৪) জানুয়ারি জামাতি বক্তা হিসেবে খ্যাত মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলে একই পরিবারের ১১ জনকে হিন্দু থেকে মুসলমান বানানোর এই নাটক করা হয়। এলাকাবাসীর দাবি ওই পরিবার জন্মসূত্রে মুসলমান ছিল।
মাহফিলে কালিমা পড়িয়ে মুসলমান হিসাবে দেখানোটা ছিল মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির একটি সাজানো নাটক । এতে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
রামগঞ্জের স্থানীয় সাংবাদিক সাংবাদিক রহমত উল্লা গণমাধ্যমকে জানান, হিন্দু থেকে মুসলমান হিসেবে দেখানো পরিবারটির বাড়ি উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর আবদুল হাই ডাক্তার বাড়ির মনির হোসেন, পিতা- মজিবুল হক, মাতা- ফাতেমা বেগম। বর্তমানে তার ২ মেয়ে জান্নাত, আয়েশা ও এক ছেলে আবদুল করিম।
হরিশ্চর মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেণি ও ৪র্থ শ্রেণিতে লেখা পড়া করে। মাহফিলে মনির হোসেনকে শঙ্কর অধিকারী, জান্নাতকে শ্যামলী, আয়েশাকে সুমা, মরিয়মকে মিতালী, আবদুল করিমকে রাজা এভাবে দেখানো হয়।
এর আগেও সিলেটের কানাইঘাটে এক রোহিঙ্গা পরিবার মুসলিম হয়েও হিন্দু সেজে মুসলমান হয়েছিল। বালাগঞ্জে ঘটেছিল আরেক কাহিনী। ধর্মান্তরিত এক নারীকে বিয়ে করে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতিসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে মারাত্মক হয়রানির মধ্যে পড়েছেন বালাগঞ্জের এক যুবক। হিন্দু শাশুড়ি ও নও মুসলিম স্ত্রী ঐ যুবকের ১৩ লাখ টাকা আত্মস্যাৎ করে নেয়।
এ ছাড়াও মাহফিলে যারা এভাবে মুসলমান হতে আসে তাদের বিষয়গুলো কতটুকু সত্য তা-ও যাচাই বাছাই করে দেখা উচিত বলেই অনেকে মন্তব্য করেন।


