পাথেয় রিপোর্ট : টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য কতোটা ভালো-বা মন্দের এই হিসেব চলছে অনেক আগ থেকেই। কেউ বলছে পক্ষে কেউবা বলছে ক্রিকটকেই ধ্বংস করেছে এই ২০ ওভারের ক্রিকেট খেলা। তবে টি-টোয়েন্টির আবিষ্কার পাল্টে দিয়েছে ক্রিকেট দুনিয়ার হিসাব-নিকাশ। তারই এক বাজারি সংস্করণ ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) চালুর পর থেকেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে।
আইপিএলের জনপ্রিয়তা দেখে টেস্ট খেলুড়ে বিভিন্ন দেশ ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। তবে আইপিএলের জনপ্রিয়তা ভাটা পড়ার আশঙ্কায় বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লিগে ভারতীয় ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দিচ্ছে না বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এবং শ্রীলংকান ক্রিকেট লিগের (এসএলপিএল) মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দিচ্ছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
২০১২ সাল থেকে শুরু হয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। দেশের ক্রিকেটের এই জনপ্রিয় আসরে বিশ্বের তারকা ক্রিকেটাররা অংশ নিলেও ভারতীয় তারকা ক্রিকেটাররা খেলার অনুমতি পাচ্ছেন না। ।অবশ্ব ভারতীয় প্লেয়াররা এমনিতেও খুব ঘটা করে অন্যান্য দেশের ফ্রাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও খেলেন না।
তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেক্রেটারি অমিতাভ চৌধুরী বললেন ভিন্ন কথা। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভায় অংশ নিতে ঢাকা সফরে আসা বিসিসিআইয়ের এই সেক্রেটারি বৃহস্পতিবার বলেন, ‘বিপিএলে খেলাটা ভারতীয় ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। ক্রিকেটাররা চাইলেই বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় আসরে খেলতে পারে। এখানে তাদের কোনো বিধিনিষেধ নেই।’
ভারতের অনেক ক্রিকেটার বিপিএলে খেলতে আগ্রহী। ক্রিকেট বোর্ড থেকে অনুমতি না পাওয়ায় তারা আসতে পারছেন না। ক্রিকেটারদের অনুমতিপত্র দেয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে গিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেক্রেটারি অমিতাভ বলেন, ‘আসলে এখানে অনুমতির কিছু নেই। ক্রিকেটাররা চাইলেই খেলতে পারে। এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে এসিসির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভাতেই অংশগ্রহণ করতে বাংলাদেশ এসেছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেক্রেটারি অমিতাভ চৌধুরী।
সভায় ২০২০-এশিয়া বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তে জানানো হয় ২০২০ সালের এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)
এ বিষয়ে, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) নতুন সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘আগামী এশিয়া কাপের আয়োজক দেশ পাকিস্তান। তারা কোথায় টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। হতে পারে পাকিস্তানে কিংবা এবারের মতো দুবাই অথবা মালয়েশিয়ায়। আর ২০২০ সালে যেহেতু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে সেটা মাথায় রেখেই পরের আসর হবে কুঁড়ি ওভারের।’


