তালীম-তাবলীগ সমন্নয় প্রয়োজন : জিয়াউল হক কাসেমী

তালীম-তাবলীগ সমন্নয় প্রয়োজন : জিয়াউল হক কাসেমী

তালীম-তাবলীগের সমন্নয় প্রয়োজন : জিয়াউল হক কাসেমী

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : তালীম-তাবলীগের সমন্নয় প্রয়োজন মন্তব্য করে ভারতের প্রসিদ্ধ আলেমে দ্বীন মুফতি জিয়াউল হক কাসেমী বলেছেন, তালীম ও তাবলীগ একটি অপরটি ব্যতীত অসম্পূর্ণ। তাই, দুটোকে একত্র করা প্রয়োজন।

২০ এপ্রিল শনিবার ভারতের মেওয়াতের নূহে শাহেরায়ে অবস্থিত মাদরাসাতু সিদ্দিকীয়া আইনুল উলূমের দ্বিতীয় শিক্ষাবর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তালীম ও তাবলীগ শীর্ষক সারগর্ভ আলোচনা করে মাওলানা কাসেমী বলেন, আজ দাওয়াত ও তাবলীগের বিস্তারের ফলে মেওয়াতে উলামায়ে কেরামের এই বিশাল জামাআতের অবস্থান। একারণে তালীমকে তাবলীগ থেকে পৃথক করা যাবে না। কেননা, তালীম ও তাবলীগ একটি অপরটি ব্যতীত অসম্পূর্ণ।

অনুষ্ঠানে মাওলানা তাহের হুসাইনী তালীম ও তরবিয়তের উপর সংক্ষিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করে বলেন, তালীম তরবিয়ত ব্যতীত স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। আর, তরবিয়ত, দাওয়াত ও তাবলীগের মাধ্যমে অর্জন হয়। মাদরাসার শিক্ষকগণ তা’লীম ও তাবলীগকে একত্র করেছেন।

মাওলানা মুহাম্মদ শাকের কুতরা নিজ জীবনে রাসূল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.-এর সুন্নাতকে পুরোপুরিভাবে প্রতিষ্ঠিত করার উপর গুরুত্বারুপ করে বলেন, আজ আমরা কেবল সহজ কিছু সুন্নাতের উপর আমল করে যাচ্ছি। আমরা আত্মীয়তার সম্পর্ক, লেনদেন, প্রতিবেশীর হক, ইত্যাদি সুন্নাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি। অথচ সফলতার ওয়াদা দ্বীনের পূর্ণ অনুকরণের উপর।

মাদরাসায়ে আইনুল উলুমের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শামীম আহমদ, মুহাম্মদ আকীব, মুহাম্মদ কালীম, মুহাম্মদ মু’মিন প্রমুখ বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বক্তব্য রাখেন।

মজলিশে মাদরাসার মুহতামিম মুফতি তারিফ ছালিম নদভী উপস্থিত মেহমানদের কৃতজ্ঞতা আদায় করেন। উক্ত মাদরাসার শিক্ষার্থী হাফেজ মুহাম্মদ নাঈমের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ক্বারী মাহতাব উদ্দিন না’তে রাসূল পরিবেশন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও মেওয়াতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া, উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে মাওলানা জাহিদ আমিনী, মাওলানা দাউদ কাসেমী, মাওলানা আরীফ নদভী, কারী কেফায়েতুল্লাহ ও মাওলানা জুবায়ের আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আহমাদ কাশফী
সূত্র : ডেইলি হামারা সমাজ, দিল্লি
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *