সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সুস্থ প্রজন্ম প্রয়োজন

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সুস্থ প্রজন্ম প্রয়োজন

ভ্যাকসিন সম্মাননা

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে

সুস্থ প্রজন্ম প্রয়োজন

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : গণমাধ্যমে প্রকাশিত শিরোনাম ছিলো, ‘ভ্যাকসিন সম্মাননায় ভূষিত শেখ হাসিনা’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে জাতিসংঘ সদর দপ্তর বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার তুলে দিয়ে এ দেশের গণমানুষের আকাক্সক্ষাকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে। দুর্নীতি, অসাধুতা ও মিথ্যার কোপানলে আসীন এই সমাজকে ভ্যাকসিন সম্মাননা পথ দেখাবে। আরও বেশি সচেতন হবে এ দেশের মানুষ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বিশ্বব্যাপী টিকাদান সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন ও ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। জিএভিআই বোর্ড সভাপতি ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলার কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি শিশুর সুরক্ষায় জিএভিআইকে সহযোগিতা এবং এর অংশীদার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে যারা ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স মিশনে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন, সেই বৈশ্বিক ব্যক্তিত্বদের মর্যাদার স্বীকৃতি প্রদানে জিএভিআই ‘ভ্যাকসিন হিরো’ অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করে। এটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক পদকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮টিতে।

পুরস্কার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী তা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উৎসর্গ করেন। দৃঢ়কণ্ঠে তিনি বলেন, আগামীর শিশুরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে দেশ পরিচালনা করবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুস্বাস্থ্যের অধিকারী প্রজন্মের অত্যন্ত প্রয়োজন। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী নতুন প্রজন্মই কেবল পারে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে। দেশ থেকে পোলিও, কলেরাসহ বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি দূর করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে জিএভিআইয়ের সহযোগিতা পাচ্ছি। শিশু অধিকার রক্ষা এবং নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রমে শেখ হাসিনা সত্যিকার একজন সফল ব্যক্তিত্ব। শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন, ২০৩০ সালের আগেই রোগব্যাধিমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে ‘সবার জন্য টিকাদান’ নিশ্চিত করা হবে। আমরা এর বাস্তবায়ন দেখতে চাই। শিশুদের টিকাদান পরিস্থিতির উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ ২০০৯ ও ২০১২ সালেও জিএভিআই অ্যালায়েন্সের অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবিস্মরণীয় কর্মপরিকল্পনা দেশটিকে উন্নয়নের যে অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে, সেখানে তার যুগান্তকারী নেতৃত্ব বিশ্বের অনেকের জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ। টিনাদান কর্মসূচির সাফল্য অব্যাহত থাকবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সুস্থ সবল প্রজন্মের জন্য আলোকিত বাংলাদেশ প্রয়োজন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *