নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে প্রতি লাখে ২২১ জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত। আক্রান্তদের ৫ দশমিক ৩ ভাগই এমডিআর (মাল্টি ড্রাগ রেজিস্টান্স) রোগী। যক্ষ্মা বোমার মতো রোগ হলে এমডিআর হলো এটম বোমা।
অথচ এসডিজি (সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে প্রতি লাখে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা ১০-এ নামিয়ে আনতে হবে। শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। দি চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. বিশ্বাস আক্তার হোসেন। আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম, সাবেক পরিচালক ডা. নির্মল কান্তি সরকার, ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট ডা. মো. আবদুল হামিদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু রায়হান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পৃথিবীর মোট জনগোষ্ঠীর এক-তৃতীয়াংশ মানুষ যক্ষ্মার জীবাণু বাহক। বিশ্বে প্রতি লাখে ১৪২ জন এ রোগে আক্রান্ত। দেশে যক্ষ্মার প্রভাব কমিয়ে আনতে গত বছর ১৮ লাখ ১৭ হাজার লোকের রক্ত পরীক্ষা করা হয়।


