পশু বেচা-কেনা করতে পারেন ডিজিটাল হাট থেকেে

পশু বেচা-কেনা করতে পারেন ডিজিটাল হাট থেকেে

পশু বেচা-কেনা করতে পারেন ডিজিটাল হাট থেকেে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এবার সত্যিই সত্যিই অনলাইন মাধ্যমে কোরবানির পশু বেচা-কেনা হবে। ইতোমধ্যেই কেনাবেচার জন্য বেশকিছু সাইট মনোযোগী ভূমিকা পালন করছে। করোনার কারণে ডিজিটাল মাধ্যমকেই অনেকে বেছে নিচ্ছেন পশু কেনা-বেচার জন্য। অনলাইনে কোরবানির পশুর হাট পরিচালনা করার ঘোষণা দিয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তবে সরকারিভাবে এবারই প্রথম অনলাইনে বসবে পশুর হাট।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলা হলেও পশুর হাটে তা প্রায় অসম্ভব। তাই ব্যস্ত ও জনবহুল জায়গাতে ক্রেতারা পশু কিনতে আসবেন কিনা সে বিষয়েও অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে। খামারি ও ক্রেতাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কোরবানির পশু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থা করেছে।

এটি হবে সরকারি উদ্যোগে দেশের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল কোরবানির পশুর হাট। এই হাটে ক্রেতারা ঘরে বসেই গরুর ছবি-ভিডিও দেখা ও লাইভ ওজন জানার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে গরু চাষি, খামারি বা বেপারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ পাবে ক্রেতা। এরপর নির্দিষ্ট স্থান থেকে অথবা হোম ডেলিভারির ভিত্তিতে টাকার বিনিময়ে গরু সংগ্রহ করতে পারবেন।

দেশের সর্ববৃহৎ এই ডিজিটাল হাটের জন্য সারা বাংলাদেশ থেকে গরু-ছাগলের চাষি, খামারের মালিক ও সাধারণ পশু ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিনামূল্যে নিবন্ধন করার সুযোগ পাবেন। নিবন্ধনের পর নিজস্ব প্যানেল থেকে পশুর ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্য আপলোড করতে হবে। এই সকল ছবি ও তথ্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার তার নিজ খরচে প্রচার করবে। ফলে ক্রেতারা সহজেই তাদের কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় পশু পছন্দের সুযোগ পাবেন। এছাড়া বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে ডেলিভারি নিতে পারবেন।

এই প্রসঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘ফুড ফর নেশন প্লাটফর্মটি কোরবানির পশুর জন্য দেশের সবচেয়ে বড় ম্যাচ মেকিং ডিজিটাল হাট হতে যাচ্ছে। খামারি ও চাষিদের অর্থনৈতিক ক্ষতি থেকে বাঁচাতে এবং সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্যই এই উদ্যোগ। সারাদেশের খামারি ও চাষিদের অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা আপনাদের পশুর তথ্য নিয়ে এই প্লাটফর্মে আসুন। আমরা দেশের সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা অটুট রেখেই আমাদের অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডগুলো চালিয়ে যেতে চাই।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *