সৌদির ‘হালাল’ নাইটক্লাব কতটুকু হালাল?

সৌদির ‘হালাল’ নাইটক্লাব কতটুকু হালাল?

জেদ্দায় ‘হালাল’ নাইটক্লাব খুলছে সৌদি

সৌদির ‘হালাল’ নাইটক্লাব কতটুকু হালাল?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশেষ বিশেষ কিছু পদ্ধতির আলোকে সৌদিতে বৈধ হতে শুরু করেছে সবকিছু। সিনেমা চালুর পর এবার চালু হচ্ছে নাইটক্লাব। তবে শিরোনাম দেয়া হয়েছে হালাল। আর এই হালালটাই কতটুকু হালাল- এমন প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। কট্টরপন্থী সৌদির সংস্কৃতিতে অনেকদিন ধরেই নানা পরিবর্তন এসেছে। নিজের চিরচেনা খোলস থেকে বেরিয়ে আসছে তারা। নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়া, সিনেমা হল নির্মাণ, মাঠে বসে নারীদের খেলা দেখার অনুমতিসহ অনেক কিছুতেই পরিবর্তন এনেছে সৌদি।

এরই অংশ হিসেবে এবার জেদ্দায় ‘হালাল’ নাইটক্লাব খুলতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের এই কট্টরপন্থী দেশটি। অ্যাডমাইন্ড হসপিটালিটি গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুবাই ও বৈরুতের বিখ্যাত ব্র্যান্ড নাইটক্লাব হোয়াইটের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে সৌদি আরবের জেদ্দায়। এতে বিলাসবহুল ক্যাফে এবং লাউঞ্জ থাকবে।

এই হালাল নাইটক্লাবে ওয়াটারফ্রন্ট থাকবে, এর সাথে থাকবে বিশ্বের খ্যাতনামা মিউজিক গ্রুপের পরিবেশনা। ইলেক্ট্রনিক ডান্স মিউজিক, কমার্সিয়াল মিউজিক, আরএনবি এবং হিপহপ মিউজিক উপভোগ করা যাবে এখানে।

এই নাইটক্লাবের লাউঞ্জের একটি অংশে থাকবে ড্যান্স ফ্লোর। নারী পুরুষ সবার জন্যে ড্যান্স এটা উন্মুক্ত থাকবে। হোয়াইটের সব ধরনের সুযোগ সুবিধাই এখানে পাওয়া যাবে। তবে এই নাইটক্লাবে মদ পাওয়া যাবে না। কারণ সৌদিতে মদ কেনাবেচা অবৈধ। কেউ যদি মদ কেনাবেচা করে তবে তাকে শাস্তি পেতে হয়।

গত কয়েক মাসে নারীপুরুষের অংশগহণে বেশ কিছু ক্যাফেতে পার্টির আয়োজন করা হয়। কিন্তু সৌদি সরকার লাইসেন্স না দেয়ায় উদ্যোক্তারা এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। এমনকি গত বছর এ ধরনের একটি মিউজিক্যাল পার্টির আয়োজন করায় একটি ক্যাফে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তবে সৌদিতে বেশ কিছুদিন ধরেই সঙ্গীতানুষ্ঠানের হিড়িক পড়েছে। গত এক বছরে সৌদির বিভিন্ন শহরে মারিয়াহ ক্যারে, ইনরিক, দ্য ব্ল্যাক আইড পিস, ডেভিড গুয়েতা, তিয়েসতো, সিন পল এবং অ্যাকনের মতো বিশ্বের খ্যাতনামা শিল্পী ও মিউজিক গ্রুপের পরিবেশনায় বেশ কিছু সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *