আল্লাহ মক্তব শিক্ষকদের দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানীত করবেন : আল্লামা মাসঊদ

আল্লাহ মক্তব শিক্ষকদের দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানীত করবেন : আল্লামা মাসঊদ

আল্লাহ মক্তব শিক্ষকদের দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানীত করবেন : আল্লামা মাসঊদ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মক্তব শিক্ষকদের আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানীত করবেন বলে জানিয়ে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

তিনি বলেন, পবিত্র কুরাআন শরীফের সাথে যার সম্পর্ক যত বেশি, আল্লাহ তাআলা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে তত বেশি সম্মানীত করবেন, শ্রেষ্ঠত্ব দান করবেন। কারণ হাদীস শরীফে আছে, নবীজী [সা.] বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে তা শিক্ষা দেয়।’ সুতরাং অজপাড়া গাঁয়ে থেকেও যারা মক্তব পরিচালনা করে, বাচ্চাদেরকে কুরআন শিক্ষা দেয়া, কুরআনের সাথে মানুষকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করে, আল্লাহ তাদেরকে অবশ্যই সম্মানীত করবেন, শ্রেষ্ঠত্ব দান করবেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জামিআ ইকরা বাংলাদেশ মিলনায়তনে ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত মাদানী নূরানী মক্তবের মু’আল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সের ইসলাহী বয়ানে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এসব কথা বলেন।

প্রশিক্ষণ কখনো ফায়দা থেকে খালি হয় না উল্লেখ করে ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, মু’আল্লিম প্রশিক্ষণের ব্যাপক উপকারিতা আছে, এতে করে অভিজ্ঞতা বাড়ে। নতুন নতুন অনেক বিষয়াদি জানা যায়। প্রশিক্ষণের বিশেষ দুইটি ফায়দা হলো- ১. অন্যদের সাথে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা যায়। ২. নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়, নতুন পদ্ধতি জানা যায়।

আল্লামা মাসঊদ বলেন, প্রত্যেকটা মানুষ সফল হতে চায়। সফল হওয়ার জন্য সে চেষ্টাও করে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না, সফল হওয়ার মূল মন্ত্র কি? আর এজন্যেই তারা সফল হতে পারে না।

তিনি বলেন, দুনিয়াতে সফল হওয়ার জন্য দুটি জিনিসের প্রয়োজন। ‘১. মেহনত করা। ২. সঠিক পদ্ধতি জানা।’ আর আখেরাতে সফল হওয়ার জন্য তিনটি জিনিসের প্রয়োজন। ‘১. মেহনত করা। ২. সঠিক পদ্ধতি জানা। ৩. ইখলাসে নিয়ত।’ যদিও কোন ব্যক্তি এভাবে জীবন পরিচালনা করে, তাহলে সে দুনিয়া ও আখেরাতে অবশ্যই সফল হবে, কামিয়াব হবে।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, আমাদের দেশের একটি ফেতনা হলো, যারা বুখারী শরীফ পড়ায় তাদেরকে আল্লামা মনে করা হয়, আর যারা মক্তবে কুরআন শরীফ পড়ায় তাদেরকে হেয় মনে করা হয়। অথচ হাদীসে উল্টোটা এসেছে, নবীজী [সা.] বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে তা শিক্ষা দেয়।’ তাই আমাদের এই ফেতনা ও এই ধরণের মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *