গাইবান্ধার চরে ফের অভিযান

গাইবান্ধার চরে ফের অভিযান

গাইবান্ধা প্রতিনিধি ● গাইবান্ধার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গি আস্তানার খোঁজে নেমে প্রথম দিন কথিত এক নৌডাকাতকে গ্রেফতারের পর দ্বিতীয় দিনে অভিযান চালানো হয়েছে। ফুলছড়ি থানার ওসি আবু হাদার মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার আগেই জঙ্গি আস্তানার খোঁজে অভিযান শুরু করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ। ফুলছড়ি উপজেলার খোলাবাড়ি, তালতলা ও খাটিয়ামাড়িসহ বিভিন্ন চরে এ অভিযান চালানো হয় জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার বা কাউকে আটক করতে পারেননি তারা। খুঁজে পাননি কোনো জঙ্গি আস্তানাও। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মইনুল হক। তিনি বলেন, জঙ্গি আস্তানার সন্ধান, তালিকাভুক্ত মামলার আসামি ও নৌডাকাত ধরতে এ অভিযান চলছে। অভিযানে সহকারী পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মো. আসাদুজ্জামান রিংকু ও ফুলছড়ি থানার ওসি আবু হায়দার মো. আশরাফুজ্জামানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন বলে তিনি জানান।

আসাদুজ্জামান রিংকু বলেন, অভিযান অব্যাহত থাকবে। এরপর সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলগুলোতেও অভিযান চালানো হবে। এর আগে গত বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার কামারজানি ও মোল্লারচর এলাকায় অভিযান চালায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ওই অভিযানে মোল্লারচর ইউনিয়নে শুকুর (৩৭) নামে এক নৌডাকাতকে গ্রেফতার করার কথা জানায় পুলিশ। গত বুধবার সকাল থেকে প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার ওই অভিযানে কোনো জঙ্গি আস্তানা বা অস্ত্র পায়নি পুলিশ। অভিযান শুরুর সময় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ ফারুক বলেছিলেন, বর্ষায় পানি বাড়লে নৌডাকাতদের উৎপাত বাড়ে।

তাছাড়া জঙ্গিদেরও নতুন করে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে। এ কারণেই আমাদের এই বিশেষ অভিযান। থানা পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেয়। নৌকা নিয়ে বিভিন্ন চর এলাকা ঘিরে ‘ব্লকরেইড’ চালায় তারা। গাইবান্ধা সদরসহ তিন উপজেলার চরাঞ্চলে গত বছরও অভিযান চালিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে সে অভিযানে বড় কোনো সাফল্য মেলেনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *