২১শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

জেনে নিন শীতের সকালে রোদ পোহানো যে কারণে জরুরি

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : শীতে প্রতিদিন গায়ে রোদ লাগালে নানা ধরনের উপকার পাওয়া যায়। এটি আমাদের মানসিকভাবেও ভালো রাখে। তাই গায়ে রোদ মাখা জরুরি। শীতের নরম রোদ গায়ে মাখলে শরীর ভালো থাকবে। কারণ এই রোদ গ্রীষ্মের মতো তীব্র নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, শীতে রোদ পোহানোর উপকারিতাগুলো-

জন্ডিস দূরে রাখে

জন্ডিস হলো নীরব ঘাতক। এই রোগে একবার আক্রান্ত হলে ভুগতে হয় দীর্ঘ সময়। তাই জন্ডিস থেকে বাঁচতে চাইলে নিয়মিত রোদে বসতে হবে। সূর্যের আলোতে থাকা নানা উপকারী উপাদান আপনাকে এই মারাত্মক রোগ থেকে দূরে রাখবে।

ভিটামিন ডি পাওয়া যায়

আমাদের হাড় ভালো রাখতে ভিটামিন ডি জরুরি একথা প্রায় সবারই জানা। তবে এটি ছাড়াও ভিটামিন ডি এর রয়েছে আরও অনেক উপকারিতা। ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হলো রোদ। তাই প্রতিদিন রোদে কিছুক্ষণ হলেও থাকতে হবে। এতে ভালো থাকবে শরীর। পূরণ হবে শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি। যারা আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগছেন, তারা অবশ্যই প্রতিদিন রোদ পোহাবেন। এতে হাড়ের ব্যথা কমবে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে

ভাবছেন, রোদ পোহানোর সঙ্গে ওজন কমার কী সম্পর্ক? বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, সূর্যের আলোতে থাকলে আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে অনেকটাই। আর কোলেস্টেরল কমলে কমে ওজনও। বুঝতেই পারছেন, কেন ওজন কমাতে চাইলে আপনাকে নিয়মিত রোদ পোহাতে হবে।

ঘুম ভালো হয়

আপনার যদি ঘুম কম হয় বা অনিয়মিত হয় তবে রোদে থাকার অভ্যাস করুন। অনিদ্রার এই সমস্যা দূর করতে কাজ করবে রোদ। আপনি যদি প্রতিদিন রোদ পোহান তবে শরীরে মেলাটোনিন হরমোন বাড়ে। এটি ঘুম আনতে সহায়ক। রোদ পোহানোর উপকারিতা হিসেবে ভালো ঘুম হবে আর ভালো ঘুমের সুফল আপনি নিজেই দেখতে পাবেন।

ফাঙ্গাল ইনফকশন দূর করে

ফাঙ্গাল যেকোনো ইনফেকশন দূর করতে কাজ করে সূর্যের আলো। তাই আপনার শরীরে ছত্রাকজনিত কোনো ইনফেকশন থাকলে প্রতিদিন রোদে বসতে হবে। এতে দ্রুতই আপনি ক্ষতিকর ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়াও ইনফেকশনের স্থানটি সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

কতক্ষণ রোদে বসবেন?

সুস্থ থাকার জন্য রোদ পোহানো কতটা জরুরি তা তো জেনেছেন, কিন্তু প্রতিদিন কতক্ষণ সময় রোদে থাকতে হবে তা জানেন কি? বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট রোদে থাকতে হবে। এতে পাবেন উপকার।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com