নিজস্ব প্রতিবেদক : আমাদের দেশে বছরের সব সময়ই কম-বেশি শাক-সবজি, ফলমূল ইত্যাদি জন্মে। তবে পুষ্টি আর স্বাদের দিক দিয়ে এসবের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে বলা যায়। কিন্তু শীত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ছে। সেই সঙ্গে কমছে দাম। এক সপ্তাহে কেজিপ্রতি দাম কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।
শীতের সময় বেশি পাওয়া যায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, মূলা, গাজর, শালগম, সিম, টমোটো, পেঁয়াজ পাতা (পেঁয়াজের হাই), মটরশুঁটি, লালশাক, পালংশাক ইত্যাদি। তবে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগাতে প্রায় সব ধরনের তরিতরকারি সব সময়ই কম-বেশি পাওয়া যায়। অর্থাৎ শীতের সময়েও গরমের সময়ের তরিতরকারি পাওয়া যায়, আবার গরমের সময়ে পাওয়া যায় শীতের তরিতরকারি, শাক ইত্যাদি। তবে সিজনের সময় এসবের স্বাদ যেমন বেশি থাকে তেমনি পুষ্টিগুণও থাকে অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, যেসব শাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো লালশাক।
শনিবার রাজধানী কারওয়ানবাজার, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর এলাকার পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে শিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ১৫ টাকা কমে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বেগুন গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা কমে হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। উত্তরবঙ্গে ফসলের ভালো ফলনের খবর এসেছে। প্রতি রাত এবং ভোরে পাইকারি বাজারে গেলেই দেখা মিলবে ট্রাক থেকে সবজির নামানোর চিত্র। সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৪০ টাকার শসা ৩০ টাকা, ৪০ টাকার কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ঢেঁড়স, চিচিঙ্গা, পেঁপের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় না কমলেও পটোল ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা কমে ৫০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, আলু ২ টাকা কমে ২৮ টাকায়। বাঁধাকপি-ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদ অনুযায়ী ২০ থেকে ২৫ টাকা। ডিম হালি প্রতি পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে দেশি ৩৫ টাকা কেজি দরে।
বাজারে এখন ইলিশ মাছ ভরপুর। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়, তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়।


