ওয়ার্ল্ড ডেস্ক : ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে বিজেপির এবার চলে যাওয়ার সময় এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকার থেকে বিজেপিকে হটাতে তাই সব দলকে এক হতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার সংসদে দফায় দফায় বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বলেন, সব রাজ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে সবাই মিলে মাত্র একজন প্রার্থী দেওয়ার দরকার। তাহলেই বিজেপি শাসনের অবসান ঘটবে দেশে। এভাবেই দিল্লির মসনদ থেকে বিজেপিকে বিদায় করে দেওয়ার সূত্র জানিয়ে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শারদ পাওয়ারসহ বিরোধী দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংসদে অনাস্থা আনতে দিচ্ছে না বিজেপি। সংসদেও একনায়কতন্ত্র চালানোর চেষ্টা করছে। তাছাড়া বিজেপির মতো সাম্প্রদায়িক দল আর হয় না। এদেরকে বিদায় করে দিতে হবে। এজন্য যে রাজ্যে যে দল শক্তিশালী, অন্য দলকে তাকে সাহায্য করতে জোট বাঁধতে হবে।
তিনি এদিন পরিষ্কার জানান, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট করার ভাবনা চলছে-এটা ঠিক নয়। এমনকি এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ত্রিপুরায় তিনি জোটের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কর্নাটকেও কংগ্রেসের জোট করা উচিত ছিল দেবেগৌড়ার সঙ্গে। তাহলে বিজেপি নামক কোনো শক্তিও উঠে আসতে পারত না। কেন্দ্রে শাসনের নামে বিজেপি একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা। এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার ছাড়াও আরজেডির মিসা ভারতী, ও ডি এমকে নেতা রামগোপাল জাদবের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। আর এই বৈঠকের পরই বিজেপি বিরোধী সব দলকে একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দেন। সব দলকে এক মঞ্চে আসার অনুরোধ করেন। সোনিয়া গান্ধী প্রসঙ্গে মমতা মন্তব্য করেন, সোনিয়াজির শরীর ঠিক যাচ্ছে না। এই অবস্থায় তিনি সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীকে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলেন।