৫ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ডাকাতের হামলা, ২ যাত্রী আহত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একাধিক গাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। এসময় ছুরিকাঘাতে ২ যাত্রী আহত হয়েছেন। ডাকাতি চলাকালে টহল পুলিশ উপস্থিত হলে পালাতে গিয়ে ১ ডাকাতের মৃত্যু ঘটে।

গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মহাসড়কের শ্রীনগর উপজেলার কেওয়াটখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রোববার মধ্যরাত থেকেই বৃষ্টির কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলছিল। মহাসড়কের কেওয়াটখালী এলাকা নীরব থাকায় সেখানে সক্রিয় একটি ডাকাত দল সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারে ডাকাতি করছিল। ডাকাতির সময় তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে ও কয়েকজনকে আহত করে। পুলিশ আসার খবরে ডাকাতরা পালানোর পর ডাকাত দলের একজনকে রেললাইনের পাশে অচেতন হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

আহতরা হলেন, ঢাকার রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হৃদয় ও মোহাম্মদ ইমাম হোসেন।

পুলিশ জানায়, মৃত ব্যক্তি ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তার নাম আব্দুল মালেক ওরফে আব্দুল আলীম। তার বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণাপাল এলাকায়। তার বিরুদ্ধে ঢাকা, গাজীপুর ও পটুয়াখালীতে ৪টি ডাকাতির মামলা ছিল।

ডাকাতির ঘটনায় আহত হৃদয় সাংবাদিকদের জানান, তারা ৭ বন্ধু রাজধানীর রায়েরবাগ থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মাওয়ায় ঘুরতে যান। বাড়ি ফেরার পথে রাত ৩টার দিকে কেওয়াটখালী এলাকায় আসলে ৬-৭ জনের একটি ডাকাত দল তাদের অটোরিকশাটি আটক করে। ডাকাতরা মারধর করে তাদের মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা সব ছিনিয়ে নেয়। এসময় তিনিসহ তার বন্ধু ইমাম হোসেন আহত হন।

আহত ইমাম হোসেন বলেন, ‘ডাকাতরা রামদা দিয়ে আমার হাতের কব্জি লক্ষ্য করে কোপ দেয়। আমি হাত সরিয়ে নিলে আঙ্গুলের মধ্যে কোপ লাগে। তারা আমাদের অটোরিকশাটি থামিয়ে রেখে আরও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি প্রাইভেটকারে ডাকাতি করে। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’

শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান গণমাধ্যমে বলেন, “একটি ধারালো দাসহ ওই ডাকাতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পিবিআইয়ের সহযোগিতায় মৃত ডাকাতের হাতের ছাপ নির্ণয় করে তার নাম পরিচয় জানা যায়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মারুফা ইসলাম বলেন, “মৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। সম্ভবত ‘স্ট্রোকজনিত’ কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করতে পারেন। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com