আল্লামা মাসঊদের দুআয় তাড়াইলের আকাশ-বাতাসে আর্তচিৎকার

আল্লামা মাসঊদের দুআয় তাড়াইলের আকাশ-বাতাসে আর্তচিৎকার

আল্লামা মাসঊদের দুআয় তাড়াইলের আকাশ-বাতাসে আর্তচিৎকার

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কান্নাই একমাত্র দুআর ভাষা দাবি করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, জাতীয় শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন বলেন, দুআ সমস্ত ইবাদতের মূল, কিন্তু দুআ কোন ভাষা নেই, একমাত্র কান্নাই দুআর ভাষা। দুআ করার সময় শিশুর মত কাঁদবে। যা কিছু চাওয়ার কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে চাইবে। অবশ্যই আল্লাহ তোমার দুআ কবুল করবেন।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দানে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ইসলাহী ইজতেমায় মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর এই খলীফা শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বিশেষ মোনাজাতের আগে এসব কথা বলেন।

দুআতে আল্লামা মাসঊদ যখন, ইয়া রব, ইয়া রব, মালিক, ও মালিক, ক্ষমা করো, রহম করো, কবুল করে নাও, কবুল করে নাও বলে বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন, তখন ইজতেমায় উপস্থিত হাজার হাজার মানুষের আর্তচিৎকারে তাড়াইলের আকাশ-বাতাস যেনো প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

এরআগে দুপুর ১২ টায় আল্লাহর দিকে এলে মুসলিম বিশ্বে শান্তি ফিরে আসবে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, সারাবিশ্বে আজ মুসলিমরা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার। কোথাও শান্তি। তার একমাত্র কারণ আমরা আল্লাহকে ভুলে গেছি, আমাদের মালিকে ভুলে গেছি।

তিনি বলেন, নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদেরকে আল্লাহর রাহে ফিরে আসতে হবে। এখানেই আমাদের নাজাত ও মুক্তি। তাই আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী ও হুকুম-আহকাম পালনে মগ্ন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আমাদের এই ইসলাহী ইজতেমার একমাত্র উদ্দেশ্য আমরা আল্লাহকে পেতে চাই উল্লেখ করে শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম বলেন, আল্লাহ আমাদের ডাকছেন। আমরা আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য এই ইসলাহী ইজতেমায় অসে হাজির হয়েছি। আমরা আশা করছি, আল্লাহ আমাদের এই মুজাহাদা ও ইজতেমা কবুল করে নিবেন। আমাদেরকে তাঁর প্রিয় বান্দাদের কাতারে শামিল করে নিবেন।

তিনি বলেন, বান্দা যখন আল্লাহকে পেতে চেষ্টা করে, তখন আল্লাহ নিজেই এসে বান্দার কাছে ধরা দেন। আল্লাহ বান্দার চেষ্টা করাকেই পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে পেয়ে যাবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তার কোন পেরেশানি থাকবে না। শান্তি-সুখেই বসবাস করবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *