গৌরবের ১৫০ বছর, ছয় মাসব্যাপী উৎসব

গৌরবের ১৫০ বছর, ছয় মাসব্যাপী উৎসব

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পৌরসভার গৌরবের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছয় মাসব্যাপী উৎসবে আয়োজন করেছে শেরপুর জেলা। ১৭ শনিবার নভেম্বর শহরের শহীদ দারোগ আলী পৌরপার্ক মাঠে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

শেরপুর জেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে ১৮২৯-২০১৫ পর্যন্ত এটি ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ছিল। শেরপুর জেলার আয়তন ১,৩৬৪.৬৭ বর্গকিলোমিটার। শেরপুর জেলা পূর্বে জামালপুর জেলার একটি মহকুমা ছিল। ১৯৮৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এটিকে জেলায় উন্নীত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ উৎসব ও দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ ও শেরপুর-১ আসনের এমপি আতিউর রহমান আতিক, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও নৌপরিবহন সচিব মো. আব্দুস সামাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন বরে জানা যায়।

অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন বলেন, শেরপুর পৌরসভার নাগরিক হিসেবে ১৫০ বছর পূর্তির আমরা গর্বিত অংশীদার। শেরপুর একটি প্রাচীন পৌরসভা হলেও তেমন অবকাঠামো কিংবা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। শেরপুরে একটি মেডিকেল কলেজ, একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সরকারের নিকট দাবি জানাই। একই সঙ্গে শেরপুরে রেললাইন স্থাপন ও শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কটি ফোর লেন মহাসড়ক হিসেবে উন্নীত করার দাবি জানান গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন।

১৮৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শেরপুর পৌরসভার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছয় মাসব্যাপী উৎসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- নান্দনিক স্থাপনা পৌরসভার পুরাতন ভবনকে সংস্কার করে পৌর যাদুঘর তৈরি করা, পৌরপার্ক মাঠের পাশে একটি ৫তলা আধুনিক সিটি সেন্টার ভবন নির্মাণ। এ ছাড়া দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে- গুণীজন সংবর্ধনা ও সম্মাননা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এদিকে দেড়শ বছর পূর্তিতে শেরপুর শহর সেজেছে নতুন সাজে। শহরজুড়ে তোরণ নির্মাণ, রাস্তার দুই পাশে নানা রঙের পতাকা ও ফেস্টুন-ব্যানারে শোভাবর্ধন এবং শহরের ভবন ও মার্কেটগুলোতে আলোকসজ্জায় জলমল করছে শেরপুর জেলা শহর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *