চলে গেলেন হাদিসের খাদেম মুফতি ইদরীস কাসেমী
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: চলে গেলেন পবিত্র হাদিসের খাদেম মুফতি ইদরীস কাসেমী রহ.। ৯ ডিসেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে ৩টার সময় তিনি ইন্তেকাল করেন।ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রেখে গেছেন শিষ্য শাগেরদ ও ভক্তকুল। সহিহ বোখারি শরিফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ কাশফুল বারীসহসহ বিভিন্ন গ্রন্থ প্রণেতা শায়খুল হাদিস ছিলেন তিনি।
মুফতি ইদরীস কাসেমী বলা যায় পুরো জীবন দিয়ে একটি বৃহত্তর কাজ করেছেন। প্রায় ১৭ বছরে রচিত উর্দু ভাষায় ৩২ খণ্ডের বিশাল এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটির কারণে উপমহাদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ পেয়েছেন। ব্যাখ্যাগ্রন্থটি নিজেই বাংলা ভাষায় রূপান্তর করেন। লেখক নিজেই অনুবাদক করেন এবং প্রকাশও করেন। বলা যায় বিক্রেতাও তাকে।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় মরহুমের জানাজার নামাজ মিরপুর-১২ হারুন মোল্লা ঈদগাহ মাঠে লোকেলোকারণ্য হয়ে যায়। মরহুমের বড় ছেলে হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব জানাজার নামাজের ইমামতি করেন।
শুরুতে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের মঈনে মুফতী ছিলেন। ভাটারার জামিয়া সাঈদিয়া কারীমিয়া, মিরপুর ১২, সি- ব্লক মাদরাসা, আফতাব উদ্দীন মাদরাসা, কাসেমুল উলূম রূপনগর মাদরাসা, মিরপুর সি- ব্লক মহিলা মাদরাসাসহ দেশের বিভিন্ন মাদরাসায় হাদিস পড়িয়েছেন মুফতি ইদরীস কাসেমী।
কাশফুল বারী ছাড়া তার লিখিত আরও কিছু গ্রন্থ, বিশ্ব নবীর (সা.) মিরাজ, মুকাদ্দামায়ে দাওরায়ে হাদীস ও মিশকাত, মুহাররামের ইতিহাস: মাসায়িল ও ফাযায়িল, নবী প্রেমের সমাপ্তি কিসে?, মাসায়িলে তারাবীহ: তারাবীহ বিশ রাকাত না আট রাকআত?, কোরআন-হাদীস ও যুক্তির আলোকে দুর্নীতি প্রতিরোধ ইত্যাদি।


