পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কি কথা উঠতে পারে! মাহমুদুল্লাহর কাছে এর উত্তর পেতে হলে অাপাতত অপেক্ষাই করতেই হবে। ঘটনা হলো ঢাকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে ফলো অন করায়নি বাংলাদেশ। ২১৮ রানের বড় লিড পেয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে মাহমুদউল্লাহর দল। কিন্তু মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনের খেলা শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৩ রান করে জার্ভিসের বলে মাভুতার তালুবন্দি হন ইমরুল কায়েস। অপর ওপেনার লিটন দাসও নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। জার্ভিসের বলেই বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৬ রান করে। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০ রান।
এই বিপদের মাঝে আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হক (১) ভরসা দিতে পারেননি। তিনিও চলে গেছেন। ত্রিপানোর বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন উইকেটকিপার চাকাভার গ্লাভসে। এমন অবস্থা যে খুব সুখকর নয় তা ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে এখন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সব উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে দিন শেষ করলো। ৩০৪ রানে অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে। এদের হয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান ব্রেন্ডন টেইলর। তার ১১০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটি থামিয়ে দেন মেহেদী মিরাজ। টেইলরের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়া পিটার মুর সেঞ্চুরিবঞ্চিত হন। তার ৮৩ রানের ইনিংসটি থামে আরিফুল হকের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। টানা তিন ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন তাইজুল ইসলাম।
সোমবার ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় সেশনে ৭ উইকেটে ৫২২ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। মুমিনুল ইসলাম খেলেন ১৬১ রানের ইনিংস। আর মুশফিকুর রহিম ১৬ টি বাউন্ডারিতে খেলেন অপরাজিত ২১৯* রানের ব্যক্তিগত এবং বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। তাকে দারুণ সঙ্গ দেওয়া মেহেদী মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৬৮* রানে।
এসব সমীকরণে প্রশ্ন সেটাই যে ২২৮ রান হাতে নিয়ে বাংলাদেশ চাইলে তাদের ফলো অনে পাঠাতে পারতো। যেখানে গতকাল অলআউট হওয়ায় আজ সকালে তাদের আবার ব্যাটিংয়ে নামতে হত আবার। তাহলে পিচ কন্ডিশনে জিম্বাবুয়ে যে সাপোর্টটা পাচ্ছে এটাও নিশ্চয় বাংলাদেশ পেত। এখন কথা হচ্ছে সমতা নয় বাংলাদেশ ম্যাচটা জিততে পারবে তো!


