মাওলানা জুবাইরপন্থীদের পেট্রোলে দগ্ধ হওয়া হাফেজ আবদুর রহিমের মৃত্যু

মাওলানা জুবাইরপন্থীদের পেট্রোলে দগ্ধ হওয়া হাফেজ আবদুর রহিমের মৃত্যু

মাওলানা জুবাইরপন্থীদের পেট্রোলে দগ্ধ হওয়া হাফেজ আবদুর রহিমের মৃত্যু

পাথেয় রিপোর্ট : বড় সঙ্কটের জবাব দিয়ে আবদুর রহিম চলে গেছেন। সেই তারাবিই ছিল তার শেষ তারাবি। বাড়ি ফিরতে আর পারেনি। বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে কাতরাতে কাতরাতে শেষ তক আবদুর রহিম পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। কী জবাব আছে তাবলীগ ওয়ালাদের? এমন প্রশ্ন করছেন সাধারণ মানুষ।

তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদপন্থী ও মাওলানা জুবায়েরপন্থীর দ্বন্দ্বের জেরে জুবায়েরপন্থীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে অবশেষে মৃত্যু হলো আব্দুর রহিম (৩০) নামে এক ব্যক্তির। সোমবার (১০ জুন) বিকাল পৌনে ৩টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে মারা যান তিনি। গত ১৯ মে রাতে অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

দগ্ধ আব্দুর রহিমের বড় ভাই আব্দুর রহমান জানান, গত ১৯ মে রাতে তারাবি নামাজের পরপর মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে পেছন দিক থেকে জুবায়েরপন্থীর লোকজন রহিমের গায়ে পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং পরে সেখান থেকে ওই দিন রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করান।

তিনি আরো বলেন, আগে সবাই সাদ অনুসারী ছিল, পরে জুবায়ের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ হওয়ার পর থেকে জুবায়ের অনুসারীরা আমাদেরকে সকাল কর্মকাণ্ডকে বাধা দিয়ে আসছে। আর এ কারণেই আজ তার এই পরিস্থিতিতে পড়তে হলো।

কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার পূর্ব পাড়ার মো. মোস্তফার ছেলে আব্দুর রহিম। পাঁচ ভাই, দুই বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। এক সন্তানের জনক। তিনি তার মামার ব্যবসার (কসমেটিকস ও ব্যাগ) দেখা শুনার কাজ করেন।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শঙ্কর পাল জানিয়েছিলেন, তার শরীরের পেছনের দিক ঘাড় থেকে কোমর দুই হাত মুখসহ ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়।

এ ঘটনায় তার মামা মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এর পর দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *