মুফতী ইদ্রিস কাসেমীর ইন্তেকালে আল্লামা মাসঊদের শোক

মুফতী ইদ্রিস কাসেমীর ইন্তেকালে আল্লামা মাসঊদের শোক

পাথেয় রিপোর্ট : দারুল উলূম দেওবন্দের মুঈনে মুফতী, বুখারী শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ কাশফুল বারীর লেখক শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতী ইদ্রিস কাসেমীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

আল্লামা মাসঊদ তার শোকবার্তায় বলেন, মানুষের জন্ম ও মৃত্যু আল্লাহর পক্ষ থেকেই নির্ধারিত। আল্লাহর ইচ্ছাতেই মানুষ তার রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যান। মুফতী ইদ্রিস কাসেমী আমাদের সময়কার খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন ছিলেন। তিনি দ্বীনের বহুমুখী খেদমত আঞ্জাম দিয়ে গেছেন। একদিকে আদর্শবান মানুষ গড়ার লক্ষ্যে দরস ও তাদরিসের কাজ আঞ্জাম দিয়েছেন অপরদিকে দীনের মুবাল্লিগ ও মুজাহিদ তৈরি করার জন্য কাজ করেছেন। তিনি বহু কিতাব রচনার মাধ্যমে দীনের অসাধারণ খেদমত করে গেছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর সাথে খায়রের ফায়সালা করুন।

শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আল্লামা মাসঊদ বলেন, পৃথিবী আসলে থাকার জায়গায় নয়। আমাদের প্রিয় নবীজী (সা.)-ও চলে গেছেন। আজ আমরা মুফতী ইদ্রিস কাসেমীকেও হারালাম। তাঁকে হারিয়ে যে ক্ষত তৈরী হয়েছে, যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সে শূন্যতা পূরণে আমাদের কাজ করে যেতে হবে।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আল্লামা মাসঊদ এসব কথা বলেন। তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ৩টায় সময় মুফতি ইদরীস কাসেমী ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রেখে গেছেন শিষ্য শাগেরদ ও ভক্তকুল।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় মরহুমের জানাজার নামাজ মিরপুর-১২ হারুন মোল্লা ঈদগাহ মাঠে লোকেলোকারণ্য হয়ে যায়। মরহুমের বড় ছেলে হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব জানাজার নামাজের ইমামতি করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *