সীমিত আকারে ইতেকাফের অনুমতি দিন : প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা মাসঊদ

সীমিত আকারে ইতেকাফের অনুমতি দিন : প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা মাসঊদ

সীমিত আকারে ইতেকাফের অনুমতি দিন : প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা মাসঊদ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের এই সময়ে বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মসজিদে সীমিত আকারে ইতেকাফের অনুমিত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

রোববার (৩ মে) রাজধানীর বারিধারা নিজ বাসভবন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর খলীফা শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এ আহ্বান জানান।

রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ সুন্নাতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া জানিয়ে তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা আমল ইতেকাফ। রাসূল (সা.) প্রতি বছর রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। এসময় ইতেকাফ করা সুন্নতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া। অর্থাৎ এলাকার কিছুসংখ্যক মানুষ আদায় করলেই সকলের পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়। তবে কেউই আদায় না করলে সকলেই গুনাহগার হবে।’

আল্লামা মাসঊদ বলেন, এখন করোনায় বিপর্যস্ত দেশ। ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশে সংক্রমণ প্রতিরোধ মসজিদে না গিয়ে ঘরে ঘরে নামাজ আদায় করছে মুসল্লিরা। তারাবিহ আদায় হচ্ছে অল্পসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতিতে। তবুও সুন্নতে মোয়াক্কাদায়ে কেফায়া আদায়ে মসজিদে দূরত্ব বজায় রেখে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে ইতেকাফের অনুমতি বিশেষ কাম্য।

ইতেকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত উল্লেখ করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান বলেন, ‘মজানের শেষ দশকে এ সুন্নত ইতেকাফের অধিক গুরুত্বের কারণ হলো লাইলাতুল কদরের নেকি লাভ করতে হলে ইতেকাফের মাধ্যমেই সহজে করা যায়। কারণ ইতেকাফকারী রমজানের শেষ দশকের সব রজনীতেই আমলে মগ্ন থাকেন। কোনো এক রজনী তো কদর হবেই। শবে কদরকে পাওয়া এবং এই পবিত্র রাতের ঘোষিত ফজিলত থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য ইতেকাফ থেকে উত্তম আর কোনো উপায় নেই। কারণ আল্লাহতায়ালা কদরের রাতকে নির্দিষ্ট করে দেননি; বরং এর তারিখ গোপন রেখেছেন; যাতে মুসলমানরা রমজানের শেষ ১০ দিনের সব বেজোড় রাতে আমল করতে থাকে।

আল্লামা মাসঊদ বলেন, ইতেকাফকারীর জন্য লাইলাতুল কদর তালাশের পাশাপাশি তার আত্মশুদ্ধি হাসিল, আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক স্থাপন, পৃথিবীর সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে মাবুদের একচ্ছত্র ইবাদত করার উদ্দেশ্য থাকতে হবে। হাদীসে আছে, নবীজী (সা.) বলেছেন, ইতেকাফকারী গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে। তার সব নেক আমল এমনভাবে লিপিবদ্ধ হতে থাকে, যেভাবে সে নিজে করতো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *