হিফজখানাগুলো খুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা মাসঊদের কৃতজ্ঞতা
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিগগিরই দেশের হিফজ মাদরাসাগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।
প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সি প্রশংসা করে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের আগ্রাসী থাবায় সংক্রমণ এড়াতে দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরও মাদরাসার হিফজ বিভাগ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার ধার্মিকতা ও পবিত্র কুরআন শরীফের প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর বারিধারা নিজ বাসভবন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আওলাদে রাসূল, ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর এই খলিফা এসব কথা বলেন।
‘করোনাক্রান্তিকালে আবার বাচ্চাদের কুরআন তেলাওয়াতের সুরের মূর্ছনায় মুখরিত হয়ে ওঠে দেশে’ উল্লেখ করে বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ মুখস্ত করা ফরজে কেফায়া। কুরআনের হেফাজতের দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা নিয়েছেন। এর মানে এই নয় যে, আমাদের কুরআন হেফাজতের দায়িত্ব নেই বা পালন করা লাগবে না। বরং আল্লাহ না করুন যদি একজন ব্যক্তিও হাফেজ না থাকে বা কুরআন হেফাজতের নিয়তে কাজ না করে, তবে সমস্ত মুসলমানকেই সমভাবে গুনাহগার হতে হবে। আর হিফজখানাগুলোতেই এই দায়িত্ব পালন করা হয়। এখানে বাচ্চারা সবসময় কুরআনের তেলাওয়াতে করতে থাকে, কুরআন মুখস্থ করে।
করোনা এই সময়ে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে হিফজখানাগুলো পরিচালনার আহ্বান জানান আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।
উল্লেখ, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে দেশের হিফজ মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মৌখিক সম্মতিও পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত কয়েকদিন আগে এ বিষয়ে বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল সরকারের সাথে সাক্ষাত করেন। এ সময় আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই সীমিত পরিসরে হলেও কওমি মাদরাসা খোলার আবেদন জানান তারা।


