শিশুর প্রতিভা বিকাশে প্রয়োজন আনন্দদায়ক পরিবেশ

শিশুর প্রতিভা বিকাশে প্রয়োজন আনন্দদায়ক পরিবেশ

সচেতনতা। নিহার রঞ্জন সরকার

শিশুর প্রতিভা বিকাশে প্রয়োজন আনন্দদায়ক পরিবেশ

শিশুরা জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তাদের উজ্বল ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষিত করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। শিশুর ধারণ ক্ষমতা অনুসারে তাদের শিক্ষা দিলে তার ফল হবে সুদূরপ্রসারী। আনন্দের মাঝেই হতে হবে শিশুর শিক্ষাজীবন। শিশুর মনের আনন্দই তার দেহ মনের শক্তির মূল উৎস। আনন্দ ও শিশুবান্ধব পরিবেশ ছাড়া তার সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ অসম্ভব। আন্দদায়ক শিক্ষা হচ্ছে শিশুশিক্ষার অন্যতম মাধ্যম। শাসন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিকূল পরিবেশ, শিশুর শিক্ষা জীবন অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দেয়।

শিক্ষা দিতে শিশুকে নিয়ন্ত্রণ বা কঠোর শাসন করার মানসিকতা ছিল আমাদের সমাজে। শিশুকে নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে বিদ্যা দান করার যে পদ্ধতি আমাদের দেশে প্রচলিত ছিল, তাকেই শিক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু শিশুর ওপর জোর করে বিদ্যা চাপিয়ে দেয়ার নাম শিক্ষা নয়। শিশুর গ্রহণ উপযোগী আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষা দানই হলো প্রকৃত শিক্ষা। প্রখ্যাত ফরাসী দার্শনিক Education is the child’s development from within অর্থাৎ শিক্ষা হলো শিশুর স্বতঃস্ফুর্ত আত্মবিকাশ। শিশুর সামর্থ্য ও শক্তির স্বাভাবিক ও সুষম বিকাশই শিক্ষার লক্ষ্য।

শিশুরা আনন্দঘন পরিবেশে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। শিশুশিক্ষা ও আনন্দ ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। আনন্দ ছাড়া কোমলমতি শিশুরা শিক্ষা লাভে উৎসাহিত হয় না। শিক্ষার্থীর শিক্ষাকাল হলো একটা মানসিক ভ্রুন অবস্থা। উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই সেই ভ্রুন বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়। শিশুরা শিখবে আনন্দের মাধ্যমে, নিজেদের ইচ্ছামতো, ঘুরে-ফিরে, কল্পনার ফানুস উড়িয়ে। শিশুরা শিখবে খেলাধূলার মাধ্যমে, তাদের মনের অজান্তে। প্রকৃতির সাথে সংযোগ রেখে মনের চর্চা করবে তারা, শ্রেণিকক্ষের চারদেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে নয়। শিশুরা শিখবে বিদ্যালয়, পরিবার ও সমাজ থেকে, একান্ত নিজেদের মতো করে। শিশুরা অজানাকে জানার সাথে করবে মিতালী। আনন্দের মাঝেই লুকিয়ে থাকবে তার শিক্ষা। আনন্দই হবে শিক্ষার বাহন ও মাধ্যম। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন- ‘আনন্দহীন শিক্ষা, শিক্ষা নয়, যে শিক্ষায় আনন্দ নেই, সে শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা হতে পারে না।’

শিশুকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে শিক্ষকের ভূমিকা অনেক। শিশুর অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যগুলোর আবিষ্কার ও তার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধনই শিক্ষকের প্রধান কাজ। বিদ্যালয়ে আনন্দময় পরিবেশে শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিশুর প্রতিভা বিকশিত করার মূল দায়িত্ব শ্রেণি শিক্ষকের। একজন শিক্ষকের উপরই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। বিদ্যালয়ের শিক্ষক হচ্ছেন শিশু শিক্ষার একজন সুনিপুন কারিগর। একজন আদর্শ শিক্ষকই পারেন শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দিতে। এজন্য শিক্ষককে হতে হবে আদর্শের মূর্ত প্রতীক। তার থাকতে হবে চরম ধৈর্য্য ও শিশু শিক্ষার প্রতি আগ্রহ। শিশুর অবুঝ মন বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে শিক্ষককে। একজন শিক্ষককে হতে হবে শিশু মনোবিজ্ঞানী। শিক্ষক একাধারে হবেন, শিক্ষাগুরু, শিশুবান্ধব, পিতা-মাতা তুল্য ও নির্ভরযোগ্য অভিভাবক। যে শিশু শিক্ষককে ভয় পায়, সে শিশু শিখতে আগ্রহী হবে না।
একজন আদর্শ শিক্ষকের কাজ শিশুর মনের ভীতি দূর করে সৃজনশীল কাজে সহায়তা করা। শিশুরা সবসময় গ-িবদ্ধ জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। তারা বাধার প্রাচীর ভাঙতে চায়। তারা চায় নীল আকাশের নিচে উন্মুক্ত জীবন, যেখানে কোন ধরাবাধা নিয়ম শৃঙ্খলা থাকবে না। এক্ষেত্রে শিক্ষকের মূল কাজ হচ্ছে শিশুর মাঝে মুক্ত চিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে সঠিক পথে পরিচালিত করা। শিক্ষককে আনন্দমূলক শিক্ষার কৌশল রপ্ত করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে চিত্তাকর্ষক পাঠদান করতে হবে। শিশুর মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে হবে। এতে তাদের কোমল মনে চিন্তার প্রসার ঘটবে। তাদের বিশ্বকে জয় করার মানসিকতা গড়ে উঠবে।

সরকার শিক্ষকদের শিশুর পাঠদান সম্পর্কে প্রশিক্ষিত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই সৃজনশীল পদ্ধতির প্রচলণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ তাদের প্রশিক্ষণ লব্ধজ্ঞান শ্রেণিকক্ষে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারেন। শিশু শিক্ষায় নারী শিক্ষকদের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। নারী শিক্ষকগণ শিশুদেরকে মাতৃস্নেহে পাঠদান করে থাকেন। এ লক্ষে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নারীদের জন্য ৬০ ভাগ কোটা নির্ধারণ করেছে।

বিদ্যালয় শিশুর মেধা ও মননশীলতার বৈচিত্র্যময় লীলাভূমি। এটি শিশুর অবাধ জ্ঞান চর্চার কেন্দ্রস্থল। শিক্ষক হলেন এ অবাধ জ্ঞানচর্চা কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক। ভয়-ভীতি, সংশয় ও দ্বিধা শিশুর জ্ঞান লাভের স্পৃহাকে নষ্ট করে দেয় এবং তাদের মনে একঘেঁয়েমি সৃষ্টি করে। তাই শিশুর জানার পথে যাতে একঘেঁয়েমি সৃষ্টি না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। শিক্ষককে শেখার কৌশলে নতুনত্ব আনতে হবে। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে বৈচিত্র্যময় শিক্ষার ধারার প্রবর্তন করতে হবে। শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করতে হবে। তাদের প্রশ্ন করার এবং মনের ভাব প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। সহজ, সরল, সাবলীল ও প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠদান করতে হবে।

সাহিত্যিক আবুল ফজল বলেছেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতির প্রাণশক্তি তৈরির কারখানা আর রাষ্ট্র ও সমাজ দেহের সব চাহিদার সরবরাহ কেন্দ্র। আমাদের দেশে শিশুশিক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা, ইংরেজি স্কুল ও এনজিও পরিচালিত শিশুশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষাদান ও অভিজ্ঞ শিক্ষকের কিছু অভাব রয়েছে। আনন্দময় শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিছু বিষয় থাকা আবশ্যক। এসব বিষয় যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না থাকে তাহলে শিশুর প্রতিভা ও বিকাশ ব্যহত হতে পারে। আনন্দমূলক শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ের পরিবেশ হতে হবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে সুশোভিত। বিদ্যালয়ের আঙিনা হতে হবে মনোরম ও শিশু উপযোগী। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে মানসম্মত খেলার মাঠ ও পর্যাপ্ত খেলাধূলার সামগ্রী। থাকতে হবে পর্যাপ্ত শিক্ষাপোকরণ, সহশিক্ষা কার্যক্রম, শিশুতোষ সাহিত্য ও লাইব্রেরি।

কোলাহলমুক্ত পরিবেশ থাকতে হবে। আনন্দভ্রমণ, শিক্ষা সফর, কবিতা, গান, নৃত্য, অভিনয় নানা ধরনের প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আলাদা শিখন সামগ্রীও থাকা জরুরি। পুরো বিদ্যালয়টি হতে হবে শিশুর জ্ঞানের সা¤্রাজ্য। পরিবারের মতোই শিশু ক্যাম্পাস থেকে নির্ভয়ে অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে নানা কিছু শিখবে, আহরণ করবে জ্ঞান। এ প্রসঙ্গে মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে জাতির ভাগ্য নির্ধারিত হয়’। একটি শিশুকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে তৈরি করতে পিতা-মাতার পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশী বড় ভূমিকা পালন করে থাকেন। কিন্তু শিশুকে আদর্শবান হিসেবে তৈরির পেছনে স্কুলের অবদান ব্যাপক। শিশুদের মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ হয়ে থাকে স্কুল থেকেই। এখানে সে নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা নিয়ে থাকে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টিও রপ্ত করে। স্কুলই শিশুদের মেধা ও মননকে ধাবিত করতে পারে সামাজিক পরিবর্তনের দিকে, দেশের ও দশের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে।

শিশুর বিকাশে পরিবারও মূখ্য ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবার হলো শাশ্বত বিদ্যালয়। শিশু প্রথম শিক্ষা লাভ করে তার পরিবার থেকে। তাই তার নিজ পরিবারের পরিবেশ, আনন্দময় ও শিক্ষা উপযোগী হতে হবে। শিশুবান্ধব পরিবেশে শিক্ষার ব্যাপারে পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও অন্যান্য সদস্যদের জোরালো ভূমিকা থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যদের সবসময় সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। শিশু মনে দাগ কাটতে পারে এমন অশোভন আচরণ থেকে পরিবারের সদস্যদের বিরত থাকতে হবে। শিশুর সামনে গাল মন্দ, ঝগড়া-ঝাটি, মিথ্যা কথা বলা, ছলনা করা, অনৈতিক আচরণ করা থকে বিরত থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যদের প্রতি মূহুর্তে খেলার ছলে শিশুকে নতুন কিছু শেখাতে হবে। শিশুকে সবসময় হ্যাঁ বলতে হবে। টেলিভিশনে বিতর্ক, বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ দিতে হবে শিশুকে।পরিবার হবে শিশুর আনন্দমূলক শিক্ষার সুতিকাগার।

শিশুর প্রতিভা বিকাশে সমাজেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামাজিক পরিবেশ দ্বারা শিশু প্রভাবিত হয়। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে শিশু শিক্ষা লাভ করে। সুস্থ, সুন্দর সামাজিক পরিবেশ শিশুর মেধা ও মননশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। শিশুর বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজের। সমাজকে শিশুর চিত্তবিনোদনের জন্য খেলার মাঠ, ক্লাব, পাঠাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে। বৃত্তিমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের সামাজিকভাবে উৎসাহিত করতে হবে। বিদ্যালয় থেকে ঝড়ে পড়া রোধেও এগিয়ে আসতে হবে সমাজকে। প্রতিটি শিশুর শিক্ষা, বেড়ে উঠা, সদাচরণসহ সকল বিষয়ে সমাজের মানুষকে সচেতন হতে হবে।

শিশু জাতি গঠনের মূল ভিত্তি। স্বাধীনতার পর সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বক্ষেত্রে সকল শিশুকে পূর্ণ মর্যাদাবান মানুষরূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে শিশুদের জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষাসহ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা, সুযোগের সমতা, অধিকার ও কর্তব্য এবং জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার যতœশীল ও সক্রিয়। শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, সহ¯্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে জেন্ডার সমতা অর্জিত হয়েছে। স্কুলে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদানসহ সরকারের নানামূখী উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয় থেকে শিশুদের ঝরে পড়ার হার ক্রমাগতভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

শিশুদের দারিদ্র্য বিমোচন, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আশ্রয়, পয়ঃনিষ্কাশন ইত্যাদি সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল ও প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসন পর্যায়ক্রমে শিশুশ্রম নিরসন, শিশুদের রাজনৈতিক কর্মকা-ে ব্যবহার বন্ধ ও তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে শিক্ষা ও বিনোদনের উপযুক্ত সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন কার্যক্রম। সরকারের এসব কর্মকাণ্ডে আমরা সবাই একাত্ম হয়ে শিশুর জন্য আনন্দদায়ক আবাস গড়ে তুলতে পারলেই শিশুর বিকাশ বিকশিত হবে, আদর্শ প্রজন্ম গড়ার স্বপ্ন সফল হবে।

লেখক : কলামিস্ট

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *