তাবলিগের ঐক্যের বিরুদ্ধাচারণকারীরা মুনাফিকে প্রভাবান্বিত

তাবলিগের ঐক্যের বিরুদ্ধাচারণকারীরা মুনাফিকে প্রভাবান্বিত

পাথেয় রিপোর্ট : যারা দাওয়াত ও তাবলিগের এ সংহতি ও ঐক্যের বিরুদ্ধে কাজ করবে তারা হয় মুনাফিক নয় মুনাফিক দ্বারা প্রভাবান্বিত। তাই এই সময়ে আমাদের সবার দোয়া লাগবে, সতর্ক থাকতে হবে এবং কোন কাহিনী শুনলেই উত্তিজত হওয়া যাবে না বলে সতর্ক করলেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

শনিবার (২৬ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ খাগডহর জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় জাতীয় দীনী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড এর পক্ষ থেকে তাবলিগ সংকট নিরসনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় সংবর্ধনা দেয়া হয় শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে। সেই সসংবর্ধনা অনুষ্ঠানেই এসব কথা বলেন তিনি ।

আল্লামা মাসঊদ বলেন, আমাদের এই কাজ মাত্র শুরু। ইনশাআল্লাহ আমরা চেষ্টা করবো দেওবন্দ ও নিযামুদ্দীনের মাঝে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে আগামীতে আমাদের লক্ষ হচ্ছে এ দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং এ দূরত্ব নিরসনের চেষ্টা করা। আর আমরা যদি ইজতেমাটা ভালোভাবে শেষ করতে সফল হই তাহলে আমাদের ৫০ পার্সেন্ট কাজ হবে। আর বাকী কাজ হবে যদি নিজামুদ্দিন ও দেওবন্দের মাঝে দূরত্ব নিরসন করা যায়।

তিনি আরো বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে আমাদের সবাইকে ঐক্য প্রক্রিয়ার পক্ষে কাজ করতে হবে৷ যারা এই ঐক্য বিনষ্ট করতে চায় এবং যারা ঐক্যের বিরুদ্ধে ফেসবুক বা অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকে দিতে চায় এদের বিরুদ্ধে আমাদের সবার সতর্ক থাকতে হবে। আমি অনুরোধ করবো মাননীয় মন্ত্রীকেও, তিনিও এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।

এসময় তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেন, আপনার চোখের সামনেও যদি কোন ঘটনা ঘটে তাহলেও আপনি লুকায় রাখবেন ভাই! শরীয়তে মিথ্যা কথা বলা হারাম। কবীরা গুনাহ। যতগুলো বড় গুনাহ তার মধ্যে অন্যতম হলো মিথ্যা । কিন্তু শরীয়তই বলেছে দুই জায়গায় সত্য বলা হারাম। এক স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে। আরেকটা জায়গা হলো দুই মুসলমানের মধ্যে যদি মনোমালিন্য হয় তাহলে সন্ধি স্হাপন করার ক্ষেত্রে। এইখানে মিথ্যা বলে হলেও তাদের দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার চেষ্টা করা । এখলাস যদি থাকে তাহলে এটা আরো বেশী সাওয়াবের কাজ।

আমাদের এই কাজ মাত্র শুরু। ইনশাআল্লাহ আমরা চেষ্টা করবো দেওবন্দ ও নিযামুদ্দীনের মাঝে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে আগামীতে আমাদের লক্ষ হচ্ছে এ দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং এ দূরত্ব নিরসনের চেষ্টা করা। আর আমরা যদি ইজতেমাটা ভালোভাবে শেষ করতে সফল হই তাহলে আমাদের ৫০ পার্সেন্ট কাজ হবে। আর বাকী কাজ হবে যদি নিজামুদ্দিন ও দেওবন্দের মাঝে দূরত্ব নিরসন করা যায়।

দেওবন্দ আর নিজামুদ্দীনের বিভেদ দূর করতে চান আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ দা.বা.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *