এক চিলতে রোদেলা মুখ
সেই এক ফালি চাঁদ
অথবা এক চিলতে রোদ
রোদেলা ঐ মিষ্টি মুখে রাজ্যের রহস্য
চোখে কি ছিল কোন হাজার বছরের না কওয়া কথা?
সাত সকালে তন্দ্রাচ্ছন্ন আমি তোমার দীপ্ত চোখের আলোয় স্নান সারলাম
ভেসে গেলাম কোনো এক কল্পনার রঙিন মায়াবী সুন্দর পৃথিবীতে…
কেবলই মনে হয়
আমি এমন কোনো ধরিত্রীর স্বপ্ন দেখেছি আজন্ম
যেখানে পুর্ণিমা শশীর কমনীয়তা বৈ কিচ্ছু নেই
আমার এ তন্দ্রাচ্ছন্নতা কেমন ঘোর লাগাল আমায়? আমি হারিয়ে গেলাম অন্য এক পৃথিবীর রহস্যপূরী…
মিষ্টি মুখের সামান্য এক উচ্চারণে বন্দী হয়ে গেল স্বাধীনচেতা সাধকের মন।
দুগ্ধ ফেনীল শুভ্র সলীলে শুদ্ধ স্নান শেষে আবারও খুঁজছি সেই দীপ্ততা
অনিন্দ্য অতীত মুহূর্তগুলো ছুঁয়ে দিতে নীলিমার বুকে হাত বাড়াই
মুঠো মুঠো শূন্যতা আচ্ছন্ন করে মুহূর্তের ভেতর।
হৃদয়তন্ত্রী বাজতে থাকে অবিরাম উচ্ছ্বাসে…
সেই প্রখর রোদ আমার সমস্ত জীবনকে ঝলসে দিয়েছে
কালো ধোয়ার মাঝেও আমি তবু উজ্জ্বল আলোর বন্যা খুঁজে পাই যেন।
একফালি চাঁদ অথবা এক চিলতে রোদ আমার প্রেয়সীর অনিন্দ্য হাসি মুখ
বিষাদ বনে এক লক্ষ লণ্ঠন
অনেক নক্ষত্রের একসঙ্গে জ্বলে ওঠা তিমিরাচ্ছন্ন শূন্য জীবনের মধ্য গগনে।


