১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৩রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি

প্রেরণার বাতিঘর আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ

ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ

আমিনুল ইসলাম কাসেমী

  • দিন শেষে হাসিটা আল্লামা উদ্দীন মাসঊদ সাহেবের থাকে।
  • দেওবন্দের আলেমরা বাংলাদেশের আলেম বলতে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে মনে করে।
  • আস্তে আস্তে পুরো বাংলাদেশের আলেম সমাজ এখন ফরীদ সাহেবদের বাতলানো রাস্তায় চলা শুরু করলেন।

বর্তমানে দেওবন্দী আলেমদের মধ্যে তাঁকেই বলা যায় প্রেরণার বাতিঘর। যিনি বারবার প্রেরণা দিয়ে এদেশের ওলামা মাশায়েখদের সঠিক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে সহযোগিতা করেছেন। যার চিন্তা-চেতনা এখনো অতুলনীয়। সারাদেশের আলেম সমাজ একদিকে যেন গড্ডলিকা প্রবাহে চলতে থাকেন। কিন্তু তিনি যে দর্শনে চলেন, পরিশেষে তাঁর দর্শনই জয় লাভ করে। সকল উলামা তলাবা তাঁর মেহনতের ফসল ভোগ করতে থাকেন। দিন শেষে হাসিটা আল্লামা উদ্দীন মাসঊদ সাহেবের থাকে।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এমনই একজন মনিষা, এমন এক প্রতিভা সম্পন্ন আলেম, এটা যেন মহান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি। কেননা, তাঁর যে কর্মযজ্ঞ, তাঁর যে সমঝ, তাঁর চিন্তা-চেতনা, এটা মহান প্রভুর দয়া ছাড়া সম্ভব নয়। পবিত্র কুরআন ইরশাদ হয়েছে- ‘জালিকা ফাদলুল্লাহি ইয়ুতি মাইয়াশা’। এটা মহান আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁকে দান করেন।

ঠিক আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের উপর আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ রয়েছে, যার কারণে তিনি অনন্য-অতুলনীয়। যার সাথে কারো তুলনা সম্ভব নয়। তাঁর চিন্তা-চেতনা, তাঁর দর্শন-দৃষ্টিভঙ্গি সম্পুর্ণ যেন আলাদা। অতি সহজে যিনি একটি বিষয় বুঝে ফেলেন, অন্যরা অনেক পরে বুঝে থাকেন। অনেক মানুষ প্রাথমিক অবস্থায় তাঁর সিন্ধান্তাবলীকে অমুলক ভাবে। এবং ফরীদ সাহেবকে না বুঝে গালিগালাজও করে থাকে। কিন্তু শেষমেষ সকলেই নিজের ভুল বুঝতে পেরে তাঁর দিকে রুজু করেন।

এই বিষয়টি কিন্তু নতুন নয়। আমার ছোট্ট জীবনে বহুবার দেখলাম। আর আমাদের যারা সিনিয়র, তারা আরো বহুবছর থেকে দেখে আসছেন। একজন তীক্ষ্ন মেধাবী আলেম আল্লামা মাসঊদ সাহেব। ছাত্র জীবন থেকে যিনি মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন সর্বত্র। কর্মজীবনের শুরুতে তাঁর যে খ্যাতি এবং জৌলুস ছিল, সেটা ঈর্ষনীয়। সেই খ্যাতি যেন আরো পরিপক্ক এখন। বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলেম এবং বুদ্ধিজীবিদের চোখে তিনি অনন্য উচ্চতায়। ইসলামী বিশ্বের স্কলারদের মাঝে তিনি এখন যেন শীর্ষে অবস্হান করছেন। এখন তাঁর সুনাম-সুখ্যাতি আর বাংলাদেশ জুড়ে নয়, এখন বিশ্বপরিমন্ডলে ছড়িয়ে পড়েছে।

দারুল উলুম দেওবন্দ এত্ত বড় আজিমুশ্বান প্রতিষ্ঠান। যেটা পুরো দুনিয়ার মানুষের কাছে সমাদৃত। সেই দেওবন্দের আলেমরা বাংলাদেশের আলেম বলতে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে মনে করে। এভাবে পাকিস্তান, আফ্রিকা, আরব, ইউরোপ, সব জায়গাতে আল্লামা মাসঊদের সুনাম। সেখানেই তাঁর বিশাল পরিচিতি রয়েছে।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং ওলামায়ে কেরামের ইজ্জত-আব্রু হেফাজতে বুক চিতিয়ে দেন।

আমাদের বাংলাদেশের সর্বমহলে এখন যেন ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বন্দনা। বিশেষ করে বিশিষ্ট অধ্যাপক, গবেষক, ভর্সিটির শিক্ষক এবং দেশের বুদ্ধিজীবী মহলে তাঁর ব্যাপক খ্যাতি। একজন দেওবন্দী আলেমকে এত্ত মুল্যায়ন তারা করে, যেটা অন্যত্র দেখা যায় না। ঐ সকল শিক্ষিত মহলের মানুষগুলো আল্লামা মাসঊদ এর প্রতি তাদের সীমাহীন শ্রদ্ধা। একজন চলমান লাইব্রেরী হিসাবে তাঁকে মুল্যায়ন করে থাকে।

আমাদের দেশের কিছু ওলামায়ে কেরাম এর বিভিন্ন সময় কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপক ভুল সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়, যার কারণে সে ভুলের মাশুল দিতে হয় পুরো জাতিকে। সেই সংকটকালে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং ওলামায়ে কেরামের ইজ্জত-আব্রু হেফাজতে বুক চিতিয়ে দেন। তাঁর অবদানে আলেমগণ যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। এদেশের বহু ক্ষেত্রে তিনি অবদান রেখেছেন, যেটা চিরদিন স্মরণ করবে এজাতি-

এক. ১৯৭১ সনে এই দেশে যখন পাকিস্তানী হানাদারবাহিনী আক্রমণ করল। পাকি সৈন্যদের জুলুম নির্যাতনে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ল। তখন আলেম সমাজের মধ্যে ডিভাইডেড হয়ে পড়েছিল। কিছু আলেম স্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করেছিল। কিছু চুপ মেরে ছিল। কিন্তু যুদ্ধের পরে কিছু বিপথগামী লোক, যারা পাকিদের পক্ষে ছিল, ওদের কারণে আলেমদের গায়ে বদনামের তকমা লেগে যায়। যার কারণে সারা দেশের মাদ্রাসাগুলো বন্ধ ছিল। কেউ আর মাদ্রাসা খোলার সাহস পাচ্ছিল না। সেই সংকটকালে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব অবদান রেখেছিলেন।

প্রথমতঃ তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে লড়েছিলেন। পাকি সৈন্যদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে। দ্বিতীয়তঃ তিনি ফেদায়ে মিল্লাত সাইয়্যেদ আসআদ মাদানী রহ. এবং তাঁর উস্তাদ কাজী মুতাসীম বিল্লাহ রহ. এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের কাছে যান। বঙ্গবন্ধুকে মাদ্রাসা খোলার ব্যাপারে বোঝাতে সক্ষম হন। তাঁদের প্রচেষ্টায় তখন মাদ্রাসা খুলে যায়।

দুই. এদেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোতে বাংলা ভাষার কোন চর্চা ছিল না। সর্বপ্রথম ফরীদ সাহেব এবং তাঁর উস্তাদ কাজী মু.তাসীম বিল্লাহ রহ, এই সংস্কার আন্দোলনের গোড়পত্তন করেন। তারা সরাসরি মাতৃভাষা বাংলায় ছাত্রদের দরস দিতে থাকেন। বাংলায় লেখালেখি, ম্যাগাজিন, পত্রিকা প্রচলন ঘটান। সেসময়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। কিন্তু আস্তে আস্তে পুরো বাংলাদেশের আলেম সমাজ এখন ফরীদ সাহেবদের বাতলানো রাস্তায় চলা শুরু করলেন।

আল্লামা মাসঊদ সাহেব তখন জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ফতোয়া প্রকাশ করলেন। এক লক্ষ আলেম থেকে ফতোয়া সংগ্রহ করলেন।

তিন. প্রচলিত রাজনীতি থেকে ছাত্রদেরকে তিনি সব সময় দুরে রাখতে চেয়েছিলেন। যাতে ছাত্রদের লেখাপড়ায় বিঘ্নতা সৃষ্টি না হয়। তিনি ছাত্রদের মেধার বিকাশ ঘটানোর জন্য ‘লাজনাতুত ত্বলাবা’ নামে ছাত্রদের মেধা বিকাশের এক সংগঠন গড়ে তুলে ছিলেন। যে সংগঠনের ওছিলায় হাজারো খ্যাতিমান আলেম তৈরী হয়েছে। যারা এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় লেখক-কলামিষ্ট-গবেষক। অথচ যারা ছাত্রদের রাজনীতিতে নামিয়েছেন, মিছিল-মিটিং এ নিয়ে যান। সে সব ছাত্রের উজ্জল ভবিষ্যত এখন ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। এখন বারবার আল্লামা মাসঊদের কথা স্মরণ হচ্ছে। এখন বলা হচ্ছে, ছাত্ররা রাজনীতি থেকে দূরে থাকলে ভাল হয়।

চার. এদেশের আলেম সমাজের উপরে যখন জঙ্গীবাদের তকমা লাগানো হলো। আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং দুশমুনেরা ওঁৎ পেতে থাকল কিভাবে আলেমদের ঘায়েল করা যায়। আল্লামা মাসঊদ সাহেব তখন জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ফতোয়া প্রকাশ করলেন। এক লক্ষ আলেম থেকে ফতোয়া সংগ্রহ করলেন। সবাই জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিল।

আল্লামা মাসঊদ এর পদক্ষেপকে অনেকের কাছে পছন্দ হয়নি। সমালোচনায় মুখর ছিল একটা গোষ্ঠী। কিন্তু আল্লামা মাসউদের ফতোয়া প্রকাশের পর থেকে বাংলাদেশের আলেমদের উপর থেকে ক্রমশ: চাপ কমতে থাকল। বিশ্ব মিডিয়ার বাঁকা চোখ ঘুরে গেল। এরপরে সবাই আল্লামা মাসউদের সুরে কথা বলতে লাগলেন।

দেখুন! যে মানু্ষগুলো বলেছে, কওমী মাদ্রাসা জঙ্গী প্রজনন কেন্দ্র। ঠিক তাদের কথা ঘুরে গেল। তারাই বলতে লাগল, কওমী মাদ্রাসার শিক্ষাই আসল শিক্ষা। এযেন আগুন হয়ে গেল পানি। এ সবই আল্লামা মাসঊদের অবদান।

পাঁচ. কওমী মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতির ব্যাপারে তিনি বহু পুর্বে থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কেউ সেটাকে আমলে নেয়নি। শেষমেষ আল্লামা আহমাদ শফি রহ. তিনি বোঝাতে সক্ষম হলেন। এবং আল্লামা শফি রহ. পুরো বাংলাদেশের আলেম সমাজকে এক প্লাট-ফরমে দাঁড় করাতে সক্ষম হন। সনদের স্বীকৃতির ব্যাপারে আগাগোড়া সব কিছুতেই ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেবের সবচেয়ে বেশী অবদান। তবে তাঁর মেহনতে পুরো আলেম সমাজ বুঝতে সক্ষম হয়েছেন।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এর নজরিয়্যা বোঝার মত যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম যেন এই দেশে নেই।

ছয়. করোনা ভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্ব বন্ধ। কোথাও কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নেই। কিন্তু ফরীদ সাহেব তাঁরই অবদান মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়ার ব্যাপারে। তিনি প্রিয় চার শাগরেদকে রাস্তা বাতলে দিলেন। আর নিজে লবিং করতে লাগলেন। আল্লাহর মেহেরবাণীতে কওমী মাদ্রাসা খোলাছিল পুরো বছর। তাঁর মেহনতের ফসল সবাই ভোগ করেছেন।

কওমী মাদ্রাসা আবার বন্ধ হয়েছে। কিছু অপরিপক্ক ব্যক্তির কারণে কওমীর সকল শাখা বন্ধ। তবে দরদী রাহবারগণ আবারও চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আসলে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এর নজরিয়্যা বোঝার মত যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম যেন এই দেশে নেই। শত শত ভুলের মাঝে আলেম সমাজ। বারবার কিন্তু হোঁচট খাচ্ছেন। সবাই নিজেকে রাজনীতিবিদ দাবী করে ময়দান দপিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফলাফল কিন্তু জিরো। কোন লাভ হচ্ছে না। বরং মামলা-হামলা ঘাড়ে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সবাই।

দেখুন! মুূর্তি নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম কিন্তু কম হয়নি। বরং এটা নিয়ে মামলা খেতে হয়েছে। কিন্তু ফরীদ সাহেবের কথা ছিল, আগেই কেন আমরা সংঘাতে যাব? যেখানে সরকার মুসলমান। তাঁকে যদি বিষয়টা বুঝিয়ে বলা যায়, অবশ্যই তিনি আমাদের কথা রাখবেন। যাই হোক, হুজুরের কথা প্রাথমিক পর্যায়ে কেউ শোনেনি। পরবর্তিতে যখন মামলা-হামলা হলো, তখন বুঝে আসল সবার। ফরীদ সাহেব এবং শীর্ষ আলেমগণ মন্ত্রীর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সরকারকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন। ধোলাইর পাড়ে এখন আর মুর্তি নেই।

ঠিক আরো অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো কিন্তু সরকারের সাথে আলোচনার টেবিলে সমাধান করা সম্ভব। কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা করা লাগে না। আল্লামা ফরীদ মাসউদ সাহেব সব সময় সেটা চান। কিন্তু কিছু লোক না বুঝে তাঁকে গালিগালাজ করে। তবে হাঙ্গামা করে কোন ফায়দা হয়েছে? কোন লাভ হয়নি। বরং অস্তিত্ব সংকটে। এখন সবাই আল্লামা মাসঊদের দর্শন আঁকড়ে ধরছেন। আলোচনার জন্য মন্ত্রীর বাসায় দৌড়ানো হচ্ছে। অথচ এই দৌড়ানোটা আগে হলে, এই সংকট সৃষ্টি হত না।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব সরাসরি ময়দানে রাজনীতি করেন না। গান্ধা-পঁচা রাজনীতির সাথে তিনি নেই। তবে তিনি যে রাজনীতি করেন, সে রাজনীতি করেছেন কাছেম নানুতবী রহ., রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহী রহ., শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ. ও শায়েখ জাকারিয়া রহ,।

যারা মানুষ গড়ার রাজনীতি করেছেন। সর্বস্তরের মানুষের কাছে দ্বীনের দাওয়াত পৌছে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের বড় বড় ব্যক্তিদের কাছে যিনি দ্বীন ইসলামের কথা তুলে ধরেছেন। ফরীদ সাহেব সেই পথের অনুসারী।

আরও পড়ুন: তাঁর বয়ানে প্রশমিত হয় হৃদয়ের যাতনা

আজকাল মন্ত্রীদের মুখ থেকে ইসলামের কথা বের হয়। বড় বড় অফিসারদের মুখে ইসলামের কথা। এগুলো তো ফরীদ সাহেবের অবদান। তিনি দ্বারে দ্বারে দাওয়াত পৌঁছিয়েছেন। এখনতো আমরা দাওয়াত দিতে রাজী না। ডাইরেক্ট এ্যাকশান দিচ্ছি। দাওয়াত ছাড়া আগেই সংঘাতে যাওয়া কোন ইসলামের রীতি নয়।

এজন্য আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেবের জ্ঞান-গরিমার সাথে কোন তুলনা নেই। তাঁর রাজনীতির সাথে কারো রাজনীতি মিশবে না। তাঁর চিন্তা-চেতনা যেন কাসেমী চিন্তা-চেতনা। এ যেন মাওলানা শায়খুল ইসলাম মাদানীর প্রতিচ্ছবি। তিনি যেন আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। এদেশের আলেম সমাজের প্রেরণার বাতিঘর। আল্লাহ তায়ালা এ মহান আলেমকে নেক হায়াত দান করুন। আমিন।

লেখক: শিক্ষক ও কলামিষ্ট

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com